এইদিন ওয়েবডেস্ক,নয়াদিল্লি,১৮ জুন : দিল্লির কালকাজি এলাকা থেকে প্রতারণা ও জোরপূর্বক ধর্মান্তরের এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা সামনে এসেছে। এক হিন্দু ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে দিল্লি পুলিশ এবং জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (এনএইচআরসি) বিষয়টি তদন্ত করছে।প্রতিবেদন অনুসারে, অভিযুক্ত ব্যক্তি হিন্দু ভুক্তভোগীর বাড়ি থেকে সোনার গয়না চুরি করার পর ৯ই জুন থেকে পলাতক রয়েছে। তাকে খুঁজে বের করতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে। হিন্দু ভুক্তভোগী বিহারের বাসিন্দা এবং দিল্লিতে গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করেন।
তিনি তার তিন বছরের মেয়ের সাথে থাকেন। ২০২৩ সালে, তিনি ইনস্টাগ্রামে ‘এসকে যাদব’ নামের একটি প্রোফাইলের সাথে বন্ধুত্ব করেন। অভিযুক্ত নিজেকে অবিবাহিত বলে দাবি করে এবং নিজের নাম সুরেশ যাদব বলে জানায়। সে ওই মহিলা ও তার মেয়েকে একটি ভালো জীবন দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়, যার পরে তারা একসাথে থাকতে শুরু করে।
মৌলানার বক্তব্য শুনুন 👇
প্রায় এক বছর পর, মহিলাটি জানতে পারেন যে অভিযুক্তের আসল নাম শহীদ পারভেজ। সে আগে থেকেই বিবাহিত ছিল এবং তার একটি ছেলে আছে । মহিলাটি বাধা দিলে, শহীদ তাকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করার জন্য চাপ দিতে শুরু করে। সে তাকে ধর্মান্তরিত করতে এবং নিকাহ অনুষ্ঠান সম্পন্ন করানোর জন্য বেশ কয়েকটি মসজিদে নিয়ে যায়। বয়সের পার্থক্যের কারণে অনেক আলেম নিকাহ সম্পন্ন করতে অস্বীকার করেন।
এরপর শহীদ তাকে ওখলা মান্ডির একটি মসজিদে নিয়ে যায়। সেখানে ধর্মগুরু মহিলাটিকে কালিমা পাঠ করতে বলেন, কিন্তু তিনি তা করতে অস্বীকার করেন। ফলে, ধর্মগুরু বিয়েটি সম্পন্ন করতে অস্বীকৃতি জানান। ধর্মগুরু শহীদকে বলেন যে, সে পুলিশকে সামলাতে পারলেও বজরং দলের সদস্যদের সামলাতে পারবে না। এরপর শহীদ প্রতারণার মাধ্যমে ওই হিন্দু মহিলার কাছ থেকে কিছু উর্দু নথিতে স্বাক্ষর আদায় করে নেয়। পুলিশ বর্তমানে অভিযুক্তকে খুঁজছে।।
