এইদিন আন্তর্জাতিক ডেস্ক,০৯ মে : পহেলগাঁও সন্ত্রাসী হামলার পর ২০২৫ সালের মে মাসে “অপারেশন সিঁদূর” শুরু করে ভারত । এই সামরিক অভিযানে পাকিস্তানের বহু সন্ত্রাসী খতম হয় এবং পাকিস্তানের প্রভুত ক্ষয়ক্ষতি হয় । পাকিস্থান দাবি করে যে তারা ভারতের একাধিক রাফায়েল যুদ্ধবিমান ধ্বংস করেছে । “অপারেশন সিঁদূর-এর দীর্ঘ এক বছর পর চীন প্রথমবারের মতো দাবি করেছে যে সেই সময় পাকিস্তান বিমানবাহিনীকে তারা সরাসরি কারিগরি ও প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদান করেছিল।
চীনের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন সিসিটিভিতে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ‘অ্যাভিয়েশন ইন্ডাস্ট্রি করপোরেশন অব চায়না’র প্রকৌশলী ঝাং হেং-এর কথায়, যুদ্ধের সময় চীনের একটি বিশেষজ্ঞ দল পাকিস্তানে অবস্থান করে সরাসরি কারিগরি সহায়তা দিয়েছিল। ঝাং হেংয়ের বর্ণনা অনুযায়ী, মে মাসের প্রচণ্ড তাপমাত্রার মধ্যে যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে মানসিক ও শারীরিকভাবে বড় পরীক্ষার মুখোমুখি হয়ে তারা এই সেবা নিশ্চিত করেছিল ।
২০২৫ সালের ৭ মে ভারতের ‘অপারেশন সিঁদূর’ এর পালটা পাকিস্তান ‘অপারেশন বুনিয়ানুম মারসুস’ ঘোষণা করেছিল । রয়টার্সসহ আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাকিস্তান তাদের চীনের তৈরি জে-১০সি (J-10C) যুদ্ধবিমানগুলোকে কৌশলগতভাবে ব্যবহার করেছিল।পাক বাহিনীর যুদ্ধকৌশল ছিল রাডার ব্ল্যাকআউট: পাকিস্তানি জে-১০সি বিমানগুলো তাদের নিজস্ব রাডার বন্ধ রেখে ভারতের দিকে অগ্রসর হয়, ফলে ভারতীয় বাহিনী তাদের শনাক্ত করতে পারেনি বলে দাবি করে পাকিস্তান ।
পাকিস্তানের ভাষ্য অনুযায়ী, নিজেদের রাডার বন্ধ থাকলেও পাকিস্তানি পাইলটরা দূরে থাকা নজরদারি বিমান (AWACS) থেকে ভারতীয় বিমানের অবস্থান সম্পর্কে স্পষ্ট তথ্য পাচ্ছিলেন। এই তথ্যের ওপর ভিত্তি করেই অতর্কিত হামলা চালিয়ে আধুনিক রাফাল যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করে পাকিস্তান। পাকিস্তান দাবি করেছিল, সেই যুদ্ধে তারা ভারতের তিনটি রাফালসহ এসইউ-৩০ ও মিগ-২৯ বিমান ভূপাতিত করেছে।যদিও পাকিস্তানের এই দাবি বারবার খারিজ করে দেয় ভারত । নয়াদিল্লি কোনো রাফায়েল যুদ্ধবিমান ধ্বংস হওয়াকে সর্বৈব মিথ্যা বলে জানায়৷
বরঞ্চ পাকিস্তানের ব্যবহৃত চীনের তৈরি একাধিক জে-১০সি বিমান ভারতীয় বিমানবাহিনী ধ্বংস করে দেয় । এতে আন্তর্জাতিক বাজারে চীনের তৈরি বিমান ও ক্ষেপনাস্ত্রের কদর হু হু করে কমে যায়৷ এখন “অপারেশন সিঁদূর”-এ ভারতের যুদ্ধবিমান ধ্বংস করার দাবি করার পিছনে আন্তর্জাতিক অস্ত্র বাজারে টিকে থাকার জন্য চীনের নতুন কৌশল বলে মনে করা হচ্ছে ।।
