এইদিন ওয়েবডেস্ক, ওয়েবডেস্ক,কলকাতা,২৬ জুলাই : “আজাদি” শ্লোগান সাধারণত বামপন্থী আর মুসলিম সম্প্রদায়ের একাংশের মানুষকে কোনো বিষয় নিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শনের সময় দিতে দেখা যায় । অতীতে কলকাতার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ও দিল্লির জহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ে (জেএনইউ) বামপন্থী ও উগ্র বামপন্থীদের এমনকি “ভারত তেরে টুকরো হোঙ্গে…ইনশাআল্লাহ,ইনশাআল্লাহ” শ্লোগান পর্যন্ত দিতে শোনা গেছে । শুক্রবার কলকাতার ধর্মতলায় ককরোচ জনতা পার্টি ও বামপন্থীদের মিছিলেও ওঠে “আজাদি” শ্লোগান । রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের মতে এই শ্লোগান হল আদপে বিচ্ছিন্নতাবাদী মানসিকতার প্রতিফলন । এই প্রকার দেশ বিরোধীদের একমাত্র ধরে পিটিয়ে দেওয়াই একমাত্র উপায় বলে মনে করছেন তিনি । যদিও তৃণমূলের কুণাল ঘোষের বক্তব্য পিটিয়ে হাসপাতালে পাঠানোটা “নৈরাজ্য” ।
রবিবার কার্গিল বিজয় দিবসে কলকাতার বিটি রোডে কণাদ ভট্টাচার্যকে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করেন শমীক। কার্গিল যুদ্ধে প্রাণ হারিয়েছিলেন কণাদ। তাঁকে শ্রদ্ধা জানানোর ফাঁকেই বামপন্থী ও আরশোলাদের মিছিলে “আজাদি” শ্লোগান দেওয়ার প্রসঙ্গ উত্থাপন করেন তিনি । শমীক বলেন,’এরা দেশবিরোধী শক্তি ৷ নতুন করে মাথাচাড়া দিয়েছে । আর এখানে যারা কমিউনিস্ট আছে, দেশটাকে যারা টুকরো করেছিল, যারা ভারতবর্ষকে এক রাখতে চায়নি, ২৮ টা টুকরোয় ভাঙতে চেয়েছিল, তারা আজকে পিছনের দরজা দিয়ে এখানে ঢুকেছে । এদের বোঝা উচিত যে এই সরকারটা শ্যামাপ্রসাদের সরকার, বাবরের সরকার নয় ।’ এরপর তিনি বলেন,’আমরা পুলিশকে বলছি আইন আইনের পথে চলবে । কিন্তু ‘ভারত তেরি টুকরে হোঙ্গে’ আর ‘কাশ্মীর মাঙ্গে আজাদী’, এই কথা বলে কেউ যেন সুস্থ শরীরে বাড়ি ফিরে না যেতে পারে। তাদের যেন সরকারি হাসপাতালের ইমারজেন্সি থেকে একবার ঘুরে যেতে হয় । ওপিডি ঘুরে যেতে হয় । আর জনতা যদি জেগে যায়, ‘ভারত তেরি টুকরে হোঙ্গে’র মতো শব্দ প্রয়োগ করলে তাদের টুকরো টুকরো করে দেবে ।’
এদিকে বিজেপির রাজ্য সভাপতির এই প্রকার মন্তব্যের সমালোচনা করেছেন ‘কালীঘাট তৃণমূল’ বিধায়ক কুণাল ঘোষ । তার কথায়, ‘শমীক ভট্টাচার্য এই ধরনের নিদান দিতে পারেন না। দেশবিরোধী কথা বললে আইন মেনে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হোক। তার জন্য হাসপাতালে পাঠানোর নিদান ‘নৈরাজ্য’।’।
