এইদিন ওয়েবডেস্ক,কলকাতা,০৮ জুন : প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির কাছে দল বাঁচানোটাই এখন কার্যত চ্যালেঞ্জ হয়ে গেছে । একের পর এক ঘনিষ্ঠরা ক্রমশ বিদ্রোহী হয়ে উঠেছে । তৃণমূল কংগ্রেস (টিএমসি) এর এই চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত ব্যানার্জীকে স্বীকৃতি দেওয়ার বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্রনাথ বসুর সিদ্ধান্তকে হাইকোর্টে চ্যালেঞ্জ করেছে তৃণমূল । টিএমসি বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের দায়ের করা এই আবেদনটির শুনানি আগামী ১১ জুন অনুষ্ঠিত হবে।
বিতর্ক আরও গভীর হয় যখন ৮০ জন টিএমসি বিধায়কের মধ্যে ৫৮ জন ঋতব্রত ব্যানার্জীর নেতৃত্বাধীন গোষ্ঠীকে সমর্থন করে বিধানসভায় বিরোধী শিবিরে যোগ দেওয়ার দাবি জানান । নিজেদের ‘আসল তৃণমূল’ দাবি করে ঋতব্রত ব্যানার্জীকে বিধানসভার বিরোধী দলনেতার জন্য দাবি পেশ করে । স্পিকার দাবিটি স্বীকার করেন । স্পিকার বলেছেন যে, ঋতব্রত ব্যানার্জী এবং বিদ্রোহী বিধায়ক সন্দীপন সাহার বহিষ্কার দলের সংবিধান অনুযায়ী হয়নি এবং তাই এটিকে বৈধ বলে গণ্য করা যায় না।
অন্যদিকে টিএমসি এই সিদ্ধান্তকে আইন ও দলীয় নিয়মের পরিপন্থী বলে আখ্যা দিয়েছে এবং যুক্তি দেখিয়েছে যে, বহিষ্কৃত কোনো সদস্যকে বিরোধীদলীয় নেতার মর্যাদা দেওয়া যায় না। দলটি স্পিকারের সংবিধানের ব্যাখ্যা নিয়েও প্রশ্ন তোলার প্রস্তুতি নিচ্ছে।এই ঘটনাটি মমতা ব্যানার্জীর দলের ক্রমবর্ধমান অভ্যন্তরীণ বিভেদকে তুলে ধরেছে এবং রাজ্যের রাজনীতিকে একটি নতুন মোড়ে নিয়ে যাচ্ছে বলে মনে হচ্ছে ।।
