এইদিন ওয়েবডেস্ক,নয়াদিল্লি,১৪ জুন : আজ রবিবার দিল্লিতে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার বাসভবনে তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের বিদ্রোহী সাংসদরা। স্পিকারের সঙ্গে সাক্ষাতের পর বিদ্রোহী তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার বলেন, “এআইটিসি (AITC) থেকে নির্বাচিত আমরা ২০ জন সাংসদ স্পিকারের সঙ্গে দেখা করে আলাদাভাবে বসার অনুরোধ জানিয়ে একটি চিঠি জমা দিয়েছি; আমাদের মোট সংখ্যার দুই-তৃতীয়াংশের বেশি সদস্য এই ২০ জনের মধ্যে রয়েছেন। আমরা ‘ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি’-র সঙ্গে মিশে যাচ্ছি। আগামী দিনে আমরা দেশের স্বার্থে কাজ করব এবং প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে এনডিএ (NDA)-র সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করব।”
তৃণমূলের বিদ্রোহী গোষ্ঠীর মধ্যে বরিষ্ঠ সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, “আমরা ‘ন্যাশনালিস্ট সিটিজেনস পার্টি’-র সঙ্গে মিশে যাব… এটি একটি আঞ্চলিক দল। নিয়মটা এমনই। যখন আপনি দলের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যকে নিয়ে বেরিয়ে আসেন, তখন শুরুতেই সেই দলের নাম দাবি করা যায় না… জুলাই মাসে আমরা তৃণমূলের নাম বা দলের অধিকার দাবি করব, কারণ তৃণমূলের দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা আমাদের হাতে রয়েছে। এরপর আদালত সিদ্ধান্ত নেবে ।” লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে বৈঠক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “ওম বিড়লা সব স্বাক্ষর যাচাই করেছেন। সেখানে ২০টি স্বাক্ষর ছিল। এখন তা দুই-তৃতীয়াংশ ।” তৃণমূল সাংসদ কীর্তি আজাদ ও শত্রুঘ্ন সিনহা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “বিহারের মানুষ বাংলার এই দলটিকে বেশি সমর্থন করেন।”
এদিকে ভাঙন রোধ করতে তৃণমূল কংগ্রেসের সংসদীয় দলের নেতা এবং দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে একটি চিঠি দিয়েছেন । চিঠিতে তিনি আসবে করেছেন, “কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে ‘অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস’-কে (AITC) নিজেদের বক্তব্য পেশ করার সুযোগ দেবেন। এছাড়াও বিনীতভাবে জানানো যাচ্ছে যে, এখানে উল্লিখিত বিধানাবলির পরিপন্থী কোনো আচরণের ক্ষেত্রে সংবিধানের দশম তফসিল অনুযায়ী যথাযথ আইনি পদক্ষেপ গ্রহণসহ যাবতীয় অধিকার ‘অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস’ (AITC) নিজের কাছে সংরক্ষিত রাখছে।”
