এইদিন আন্তর্জাতিক ডেস্ক,০৩ অক্টোবর : দুবাই থেকে তেল আবিবগামী ফ্লাইদুবাই ফ্লাইট FZ-1073- এর ক্যাপ্টেন স্মিত মাচ্ছারকে(Smit Machchhar) ছুরিকাঘাত করে বিমান বিধ্বস্ত করার চেষ্টাকারী ওমানি সহ-পাইলটের নাম অবশেষে প্রকাশ্যে এসেছে । তাকে হামাম আল হামামি (Hamam Al Hamami) হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু (Benjamin Netanyahu) আজ বলেছেন যে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর এটি ক্রমশ স্পষ্ট হয়ে উঠছে যে হামলাকারী উগ্রপন্থী হয়ে উঠেছিল এবং জিহাদের পথে পা বাড়িয়েছিল।বিগত কয়েক দশকে মুসলিম বিশ্বে ইসলামপন্থী সন্ত্রাসের বিস্তার যারা পর্যবেক্ষণ করেছেন, তাদের সকলের কাছেই এটা স্পষ্ট ছিল যে ইসরায়েলগামী একটি যাত্রীবাহী বিমানের ককপিটে সহ-পাইলটের ছুরিকাঘাতের ঘটনার পেছনে জিহাদবাদই একটি সম্ভাব্য ব্যাখ্যা। কিন্তু পশ্চিমা মূলধারার গণমাধ্যম পাইলটদের মধ্যে একটি ‘ঝগড়া’ বা ‘ধস্তাধস্তি’র গল্প প্রচার করছিল। পশ্চিমা বিশ্বের অনেকেই এখনও বাস্তবতাকে উপেক্ষা করে চলেছে বলে মন্তব্য করেছেন ।
জানা গেছে, হামাম আলহামামি অল্প সময়ের জন্য ওমান এয়ারে কাজ করেছিলেন, যেখানে তিনি নতুন পাইলট প্রশিক্ষণে যোগ দেন। সূত্রগুলো জানায়, ওমান সরকারের নজরদারিতে ধরা পড়ে যে তিনি উগ্রপন্থী ওয়েবসাইটগুলো দেখছিলেন। এরপর ওমান এয়ার তাকে একটি অফিসিয়াল পদে বদলি করে দেয়। সূত্রগুলো জানায়, এরপর ‘চরমপন্থী দৃষ্টিভঙ্গি’ থাকার কারণে তাকে ওমান এয়ারের চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়। তিনি প্রায় ২০২৪ সালের দিকে বিমান সংস্থাটি ছেড়ে দেন।ওমানের হয়ে বিমান চালানোর জন্য অযোগ্য ঘোষিত হয়েছিলেন, তবুও ফ্লাইদুবাই-এ বিমান চালানোর চাকরি পেয়েছিলেন।
ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের তথ্যমতে, পূর্বের এই নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও আল-হাম্মামিকে পরবর্তীতে ফ্লাই দুবাই নিয়োগ করে এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইসরায়েলের মধ্যে ফ্লাইট পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়। কীভাবে তিনি তেল আবিবে পোস্টিং পেলেন? এই প্রশ্ন উঠছে এখন ।।

