এইদিন ওয়েবডেস্ক,বাংলাদেশ,২৯ সেপ্টেম্বর : বাংলাদেশের সাতগাঁও বাজারের শুটকি ব্যাবসায়ী অনিল দাস তাঁর তিন মেয়েসহ হঠাৎ নিখোঁজ হয়ে গেছেন । তাঁরা কোথায় আছেন, কেমন আছে তা নিয়ে অন্ধকারে পরিচিত মহল । তবে যেটা যাচ্ছে যে, প্রতিবেশী মধু মিঁয়ার ভাইপো কুনজর পড়েছিল অনিলবাবুর তিন মেয়ের উপর । মধু মিঁয়া সিন্দুরখান ইউনিয়নের আউওই শাদাতপুরের একজন প্রভাবশালী ব্যক্তি । তার ভাইপো অনিলবাবুর এক মেয়েকে প্রেমের ফাঁদে ফেলেছিল । অনিল দাস মেয়েকে বুঝিয়ে মধু মিঁয়ার ভাইপোর সাথে যোগাযোগ করতে নিষেধ করে। মেয়ে বাবার কথা মত যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। এরপর মধু মিঁয়ার ভাইপো অনিল দাসকে স্থানীয় একটি ব্রিজের উপর আটকে রাস্তায় ফেলে এলোপাথাড়ি চড়থাপ্পড়,কিল-ঘুষি মারে । কিন্তু এলাকায় মধু মিঁয়া এতটাই সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে রেখেছে যে, ভয়ে কোনো হিন্দু মুখ খোলার সাহস করেনি। ফলে ন্যায় বিচারের আশা ছেড়ে দেন অনিলবাবু ।
এরপর একদিন অনিলবাবু ও তার তিন মেয়ে হঠাৎ উধাও হয়ে যান । কেউ কেউ বলছেন যে, তিনি ভারতে চলে গেছেন । কেউ কেউ বলছেন মধু মিঁয়ার ভাইপো সবাইকে গুম খুন করেছে। স্থানীয় পুলিশ জানে না, কারন পুলিশকে কেউ সাহস করে খবর দেয়নি । এলাকা থেকে তিনজন মানুষ হঠাৎ উধাও হয়ে গেল, অথচ সাতগাঁও বাজারের শতশত মানুষ হিন্দু ৷ পাশের ব্যাবসায়ী প্রতিবেশী সবাই হিন্দু। তা সত্ত্বেও ওই জিহাদির ভয়ে কেউ টু শব্দ করেনি। থানাতেও জানায়নি ।
জানা গেছে,অনিল দাস শ্রীমঙ্গল ৬ নম্বর আসিদুন ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দ৷ তিনি সাতগাঁও বাজারের শুটকি মাছের ব্যবসা করতেন । তিন মেয়েসহ এখন তিনি কোথায় কিভাবে আছেন তা কেউই বলতে পারছেন না । বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় হিন্দুদের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়েছে ।।

