এইদিন ওয়েবডেস্ক,কলকাতা,২৮ এপ্রিল : পশ্চিমবঙ্গে যোগীরাজ্যের পুলিশের এনকাউন্টার স্পেশালিষ্ট আইপিএস অজয় পাল শর্মা পুলিশ পর্যবেক্ষক হয়ে আসার পর থেকেই রাজনৈতিক হিংসা কবলিত ডায়মন্ড হারবারে কার্যত ত্রাসের সৃষ্টি করেছেন । স্থানীয় তৃণমূল সাংসদ অভিষেক ব্যানার্জির অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত ফলতার টিএমসি প্রার্থী জাহাঙ্গীর খান কার্যত আন্ডারগ্রাউন্ড হয়ে যান । এদিকে দ্বিতীয় দফার ভোটের মাত্র আর কয়েক ঘন্টা বাকি । তাই বেগতিক বুঝে শাসকদল অজয় পাল শর্মাকে সরাতে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল । কিন্তু আবেদনকারীর পক্ষে সওয়ালকারীর আইনজীবী তথা টিএমসি সাংসদ কল্যাণ ব্যানার্জির সব প্রচেষ্টাই ব্যর্থ হয় । আজ মঙ্গলবার বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের এজলাসে এই মামলার শুনানি হলে তিনি সাফ জানিয়ে দেন,’২৯ এপ্রিল পর্যন্ত এই মামলায় কোনও হস্তক্ষেপ করব না।’
কল্যাণ ব্যানার্জি দাবি করেন,’অজয় পাল শর্মা এলাকায় এলাকায় গিয়ে ভয় দেখাচ্ছেন । উনি একজন আইপিএস। ভোটারদের প্রভাবিত করছে। ওঁর বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে মামলা হওয়া উচিত। রণক্ষেত্র ওঁরা তৈরি করছে৷’ তবে তার এই সমস্ত কোনো কথাতেই কর্ণপাত করেননি বিচারপতি কৃষ্ণা রাও । উলটে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন,’যাঁরা নির্বাচনের দায়িত্বে আছেন, তাঁদের কারও কাজে আমি হস্তক্ষেপ করব না ।’
এদিকে আজ মঙ্গলবার সকালে অজয় পাল শর্মার নেতৃত্বে সিএপিএফ (কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী) ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রে তল্লাশি চালায় । তল্লাশি চলাকালে টিএমসি সমর্থকরা দলীয় প্রার্থী জাহাঙ্গীর খানের কার্যালয়ের বাইরে জড়ো হয়ে সিএপিএফ-এর বিরুদ্ধে স্লোগান দেয়। তবে এতে কোনো ভ্রুক্ষেপ করেননি যোগীরাজ্যের দাবাং পুলিশ আধিকারিক । জানা গেছে,বেশ কিছু দাগিদের নাম তিনি তালিকাভুক্ত করে রেখে দিয়েছেন।।
