এইদিন ওয়েবডেস্ক,বেঙ্গালুরু,১৫ জুন : রবিবার বেঙ্গালুরুর মহাদেবপুরা এলাকায় হোম গার্ডের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে তাঁর স্বামী হত্যা করেছে । নিহত মঞ্জুলা মহাদেবপুরা থানায় হোম গার্ড কর্মী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। মঞ্জুলা ও প্রদীপের বিয়ের ১৫ বছর হয়েছে এবং এই দম্পতির দুটি সন্তান রয়েছে। পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করেছেন যে প্রদীপ অনলাইন বেটিংয়ে আসক্ত ছিল, যার কারণে প্রায়ই পারিবারিক কলহ সৃষ্টি হতো। সে মঞ্জুলাকে নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করত এবং সন্তানদের বাবা কে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলত। এই হয়রানি সহ্য করতে না পেরে মঞ্জুলা গত দেড় মাস ধরে সন্তানদের নিয়ে তার মায়ের বাড়িতে থাকছিল বলে জানা গেছে।
পুলিশের ভাষ্যমতে, প্রদীপ রবিবার জ্যাকেটের ভেতরে একটি ছুরি নিয়ে তার শাশুড়ির বাড়িতে আসে। সে শাশুড়ির কাছে ক্ষমা চেয়ে বাড়ি ফিরে আসার জন্য অনুনয়-বিনয় করে। যখন সে শাশুড়ির পায়ে পড়ে ক্ষমা চাওয়ার ভান করছিল, ঠিক তখনই সে হঠাৎ করে মঞ্জুলার মা ও দুই সন্তানের সামনে তাকে ২০ বারেরও বেশি ছুরিকাঘাত করে।
খুনের আগে প্রদীপ একটি ভিডিও বার্তা রেকর্ড করে, যেখানে সে বলে যে তার জুয়ার নেশা তার পরিবারকে ধ্বংস করে দিয়েছে। ভিডিওতে সে বলে, ‘আমি আমার স্ত্রীকে ছাড়া বাঁচতে পারব না। আমি শ্বশুর এবং শ্যালকের সঙ্গে কথা বলেছি। সে সন্ধ্যায় কাজ সেরে ফিরবে। আমি তাকে আবার আমার কাছে ফিরে আসতে বলব। যদি সে বলে যে ফিরবে না, তাহলে আমি তাকে সেখানেই মেরে ফেলব।’
হামলার পর প্রদীপ সেই একই ছুরি দিয়ে নিজের হাত কেটে আত্মহত্যার চেষ্টাও করে। পুলিশ এখন তাকে গ্রেপ্তার করে একটি মামলা দায়ের করেছে এবং পরবর্তী তদন্ত শুরু করেছে।।
