এইদিন ওয়েবডেস্ক,কলকাতা,১৩ সেপ্টেম্বর : ফের একবার গোটা দেশের নজর পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্র । রাজ্যের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী এই আসনটি ছেড়ে দেওয়ায় উপনির্বাচন হতে চলেছে । ইতিমধ্যেই সিপিএম ও কংগ্রেস পৃথক ভাবে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে দিয়েছে । বাকি আছে শুধু বিজেপি এবং তৃণমূল কংগ্রেসের দুই গোষ্ঠী । নন্দীগ্রাম বিধানসভা উপনির্বাচনে ‘কালীঘাট তৃণমূল’ সুপ্রিমো তথা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা নিয়ে জল্পনা চলছে । কিন্তু পরপর দু’বার এই আসনে শুভেন্দুর কাছে পরাজিত হওয়া মমতা আদপেই কি উপনির্বাচনে এখান থেকে লড়ার ঝুঁকি নেবেন ? তবে ‘নতুন তৃণমূল’ স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, মমতা যদি এই আসনে দাঁড়ায় তাহলে তারা তাকে সমর্থন দেবে । বিদ্রোহী গোষ্ঠীটি জানিয়েছে যে, যদি তারা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত নেয়, তবে তারা কোনো প্রার্থী দেবে না। এই ঘটনাটি এমন এক সময়ে ঘটছে যখন দলের প্রতীকের অধিকার নিয়ে বিবাদ ইতিমধ্যেই নির্বাচন কমিশন পর্যন্ত পৌঁছেছে।
‘নতুন তৃণমূল’-এর নেতা তথা রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত ব্যানার্জী শনিবার নয়াদিল্লিতে বলেছেন,’আমরা প্রার্থী দোবো ঠিক করেছি । কিন্তু যদি ডঃ মমতা ব্যানার্জি যদি দাঁড়ান, আমরা চাইবো উনি জিতুন । কারন, উনি তো সাধারণ নির্বাচনে জিততে পারেন না । নিজের পাড়ায় হেরেছেন । বাড়ির লোকেদের সবাই ওনাকে ভোট দিয়েছে কিনা সন্দেহ আছে৷ তাই যদি উপ নির্বাচনে জিতে যদি বিধানসভায় জেতে পারেন ।’
২০২৬ সালের বিধানসভার ভোটে নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুর আসনে জয়লাভ করেন শুভেন্দু অধিকারী । নিয়ম অনুযায়ী তিনি নন্দীগ্রাম আসনটি ছেড়ে দিয়েছেন । আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রামে বিধানসভা উপনির্বাচন।১৬ সেপ্টেম্বর মনোনয়ন জমার শেষ দিন। ৬ অক্টোবর ভোট এবং ৯ অক্টোবর গণনা। ২০২১ সালে নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারী ১,৯৫৬ ভোটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারিয়েছিলেন। ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে জয়ের ব্যবধান বেড়ে হয় ৯,৬৬৫ ভোট। এবার সেই ব্যবধান আরও বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়েছে বিজেপি।।

