এইদিন ওয়েবডেস্ক,মালদা,২৫ আগস্ট : কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পর এবারে স্বামী বিবেকানন্দের অপমান । ঘটনাস্থল সেই মালদা । সামসী কলেজ প্রাঙ্গণে এভিবিপির পতাকা খুলে পদদলিত করা এবংস্বামীজীর পোস্টার ছিড়ে সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে গ্রেপ্তার হল দুই তৃণমূল ছাত্র পরিষদের (টিএমসিপি) দুই কর্মী । ধৃতদের নাম দেবজিৎ সাহা ওরফে ঋজু এবং অরিজিৎ রবিদাস । অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের(এভিবিপি) অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে । তবে মূল অভিযুক্ত তারিক আনোয়ার পলাতক ৷ তার সন্ধান চালাচ্ছে পুলিশ ।
অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের অভিযোগ, সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া ভিডিও-তে কলেজ প্রাঙ্গণে লাগানো তাদের গৈরিক পতাকা খুলে পদদলিত করতে এবং দেওয়ালে সাঁটানো স্বামীজির পোস্টার ছিঁড়ে ছুড়ে ফেলে দিতে দেখা যায় তৃণমূল ছাত্র পরিষদের কয়েকজন কর্মীকে । সেই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে তারিক আনোয়ার । পরের দিন মালদা সহ উত্তরবঙ্গ জুড়ে বিভিন্ন থানায় এবিভিপি-এর তরফে অভিযোগ দায়ের করা হয় ।
জানা গেছে, গত ২২ তারিখ অভিযুক্তরা সামসী কলেজে এই ঘটনা ঘটায়। তারপর তারিখ আনোয়ার তার ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে সেই ভিডিও পোস্ট করে। ভিডিওতে একজনকে বলতে শোনা যায়, “এখানে এই সব চলবে না” ।
ভিডিও ভাইরাল হতেই এভিবিপি চাঁচল থানা সহ উত্তর মালদার প্রত্যেকটি থানায় অভিযোগ দায়ের করে। এভিবিপির অভিযোগ,এর আগে চাচল কলেজে তৃণমূল ছাত্র পরিষদ রবীন্দ্রনাথের ছবি পুড়িয়েছিল।সেই মানসিকতার এখনো পরিবর্তন হয়নি। প্রত্যেকের কঠোর শাস্তির দাবি তুলেছে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ। আজ দুই ধৃতকে চাঁচল মহকুমা আদালতে পেশ করেছে চাঁচল থানার পুলিশ । উল্লেখ্য,এর আগে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসের শুরুতে চাঁচল কলেজে প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ছবির পাশাপাশি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছবি পোড়ানোর অভিযোগ উঠেছিল তৃণমূল ছাত্র পরিষদের বিরুদ্ধে ।এই ঘটনার মূল অভিযুক্ত ছিলেন চাঁচল কলেজ টিএমসিপি ইউনিট সভাপতি নাসিমুল হক ওরফে এবি সোয়েল। প্রতিবাদে বিজেপির লাগাতার বিক্ষোভের জেরে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয় । যদিও পরে তাকে ফিরিয়ে আনেন তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি ।।
