এইদিন ওয়েবডেস্ক,কলকাতা,০৮ জুলাই : দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার বারুইপুরে ষষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্রীর ধর্ষণ-খুনের ঘটনার মূল অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলকে মঙ্গলবার গভীর রাতে এনকাউন্টার করেছে পুলিশ । এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইতিমেধ্যই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। কৃষ্ণনগরের তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র এই এনকাউন্টারকে “জঙ্গলরাজ” আখ্যা দিয়ে রাজ্য পুলিশকে কাঠগড়ায় তুলেছেন । এই বিষয়ে তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ লিখেছেন,’বারুইপুর ধর্ষণ-হত্যা মামলার অভিযুক্ত প্রভাষ মণ্ডল এনকাউন্টারে নিহত! কী হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ ? বাঙালিরা, নতুন বাংলা-উত্তর প্রদেশ ২.০-কে স্বাগত জানান। পশ্চিমবঙ্গ কোনো সরকার নয়। এটা জঙ্গলরাজ।’
গত শনিবার বিকেলে নিখোঁজ হয় বারুইপুরের সূর্যপুর এলাকার ১২ বছরের এক কিশোরী । রবিবার সকালে এলাকার একটি পুকুর থেকে তার বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার হয় । ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার তদন্তে নেমে সিসিটিভি ফুটেজ ও স্থানীয়দের বয়ানের ভিত্তিতে পুলিশ প্রথম গ্রেপ্তার করে প্রভাস মণ্ডলকে। কিন্তু পুলিশের দাবি, জেরায় সে কোনও সহযোগিতা করছিল না এবং ক্রমাগত বিভ্রান্তিকর তথ্য দিচ্ছিল। সেই কারনে ঘটনার পুননির্মাণের জন্য মঙ্গলবার রাত পৌনে ১টা নাগাদ প্রভাস মণ্ডলকে নিয়ে ঘটনাস্থলে যান তদন্তকারী আধিকারিকেরা। উদ্দেশ্য ছিল ঘটনার পুনর্নির্মাণ করা। পুলিশ আধিকারিকদের দাবি, সেখানে পৌঁছানোর পর আচমকাই এক পুলিশ কর্মীর কাছ থেকে বন্দুক ছিনিয়ে নিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন প্রভাস। পুলিশ তাঁকে আটকাতে গেলে তিনি পুলিশকে লক্ষ্য করে এক রাউন্ড গুলিও চালান। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালায় পুলিশও। সেই সময় পুলিশের গুলিতে তার মৃত্যু হয় বলে দাবি পুলিশের ।।
