এইদিন ওয়েবডেস্ক,লখনউ,০৩ অক্টোবর : শুক্রবার (২ অক্টোবর) এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট জানিয়েছে যে, তারা মাওলানা শামসুল হুদা খান নামে এক মাদ্রাসা শিক্ষকের আবাসিক প্লট বাজেয়াপ্ত করেছে।শামসুল হুদা খান ২০১৩ সালের ডিসেম্বরে ব্রিটিশ নাগরিকত্ব লাভ করেছিলেন, তিনি তাঁর ভারতীয় নাগরিকত্ব ত্যাগ করা সত্ত্বেও অখিলেশ যাদবের নেতৃত্বাধীন উত্তর প্রদেশ সরকারের কাছ থেকে বেতন, পেনশন এবং অন্যান্য সুবিধা গ্রহণ অব্যাহত রেখেছিলেন।ইডি-র তথ্য অনুযায়ী, সন্ত কবির নগর এলাকায় ১৮৯.৭৫ বর্গমিটার জুড়ে আবাসিক প্লটটি অবস্থিত, যার মূল্য ৫৩.৪৬ লক্ষ টাকা। কেন্দ্রীয় সংস্থাটি অর্থ পাচার প্রতিরোধ আইন (পিএমএলএ) -এর অধীনে এটি বাজেয়াপ্ত করেছে।
শামসুল হুদা খান তার ব্রিটিশ নাগরিকত্বের তথ্য গোপন করে আজমগড়ের একটি সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত মাদ্রাসায় সহকারী শিক্ষক হিসেবে কাজ চালিয়ে যান। তিনি ২০০৭ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত ওই প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন। উল্লেখ্য, অখিলেশ যাদব ২০১৩ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল যে,তার চাকরির মেয়াদ কখনোই যাচাই করা হয়নি, অথচ তাকে ২০১৭ সালে নিয়মিত পেনশনসহ স্বেচ্ছায় অবসর গ্রহণের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। সংখ্যালঘু কল্যাণ ও ওয়াকফ দপ্তরের একটি তদন্তে এই বিষয়টি সামনে আসে।
জানা গেছে, অভিযুক্ত ব্যক্তি উত্তর প্রদেশ সরকারের কাছ থেকে বেতন, পেনশন এবং জিপিএফ বাবদ ৫৩.৪৬ লক্ষ টাকা তুলেছিলেন। তিনি তাঁর বাতিল ভারতীয় পাসপোর্ট এবং ভোটার আইডি, প্যান ও আধার-এর মতো নথি ব্যবহার করে সন্ত কবির নগরে স্থাবর সম্পত্তি কিনেছিলেন।সেই সূত্রে, ইডি তার সমমূল্যের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে। এ ব্যাপারে ২০২৬ সালের ১১ই ফেব্রুয়ারি একটি মামলা দায়ের করা হয়েছিল। পাকিস্তানের বেশ কয়েকটি সন্ত্রাসী সংগঠনের সঙ্গে মাওলানা শামসুল হুদা খানের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল এবং তাকে এই ধরনের উগ্রপন্থী সংগঠনগুলোর সঙ্গে বৈঠকে দেখা গিয়েছিল।।
