এইদিন ওয়েবডেস্ক,কাটোয়া(পূর্ব বর্ধমান),২১ আগস্ট : মাস খানেক আগে বৌদিকে ভুল বুঝিয়ে হোটেলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছিল দেওরের বিরুদ্ধে । থানায় অভিযোগ দায়ের হতেই চম্পট দিয়েছিল গুনধর । অবশেষে মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে ঝাড়খণ্ডের রাঁচিতে তার হদিশ পেয়ে সেখানে হানা দিয়ে অভিযুক্তকে পাকড়াও করে আনলো পূর্ব বর্ধমান জেলার কাটোয়া থানার পুলিশ । ধৃতের নাম বলরাম মণ্ডল ওরফে চূড়া। কাটোয়া থানার গাঁফুলিয়া গ্রামে তার বাড়ি । আজ ধৃতকে শুক্রবার কাটোয়া আদালতে তোলা হলে পুলিশ হেফাজতে পাঠানো হয় ।
জানা গিয়েছে,গত ২৫ জুলাই নির্যাতিতা বধূ কাটোয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন । তার অভিযোগ,সেই সময় তিনি বাপেরবাড়িতে ছিলেন। সেখানে বলরাম মণ্ডল গিয়ে তাকে ভুল বুঝিয়ে নদীয়ার মায়াপুরে একটি হোটেলে নিয়ে যায়। সঙ্গে ছিল তার শিশু সন্তানও৷ এরপর বলরাম তাকে হোটেলে আটকে রেখে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। পরে তাদের বাপেরবাড়ির সামনে ছেড়ে দিয়ে চলে যায় বললাম।
জানা গেছে,গৃহবধূর স্বামী ডেকরেটর ব্যবসায়ী। বলরাম তাঁর পিসতুতো ভাই। সেই সুবাদে বাড়িতে যাতায়াত ছিল । মহিলা জানিয়েছেন, sসম্পর্কে দেওর হওয়ার তিনি বলরামের সঙ্গে স্বাভাবিক ভাবেই কথাবার্তা বলতেন । কিন্তু তার উপর যে বলরামের কুনজর পড়েছে সেটা তিনি ঘুনাক্ষরেও টের পাননি । অভিযুক্ত দেওরের কঠিন শাস্তির দাবি জানিয়েছেন নির্যাতিতা৷।
