এইদিন ওয়েবডেস্ক,তামিলনাড়ু,৩০ আগস্ট : ইন্ডি জোট-শাসিত তামিলনাড়ু সরকারি কোটায় ভর্তি হওয়া মুসলিম মহিলাদের জন্য স্নাতক পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষার ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে ইঞ্জিনিয়ারিং, মেডিসিন, আইন, কলা ও বিজ্ঞান । এজন্য রাজকোষ থেকে প্রাথমিকভাবে ২০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। অনান্য ঘোষণার মধ্যে রয়েছে, মুসলিম যুবকদের জন্য দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ। এছাড়া, তামিলনাড়ু ওয়াকফ বোর্ড চেন্নাইতে একটি নতুন বিশেষায়িত সংখ্যালঘু মহিলা মহাবিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করবে।
এনিয়ে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়তে হচ্ছে জোসেফ বিজয়কে৷ একজন এক্স ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘তামিলনাড়ুর ৮৫% মানুষ হিন্দু হওয়া সত্ত্বেও তারা একজন খ্রিস্টান মুখ্যমন্ত্রীকে বেছে নিয়েছে এবং তিনি শুধু মুসলমানদের জন্য প্রকল্প আনছেন। কেউ বিজয়কে বলুন যে এই সব জঘন্য কাজ করেও তিনি ২০২৯ সালে রাহুলের চেয়ে বেশি ভোট পাবেন না।’
অন্য একজন এক্স ব্যবহারকারীর প্রতিক্রিয়া,’চলুন তামিলনাড়ুকে নিয়ে হাসাহাসি করি, যেখানে জনসংখ্যার প্রায় ৮৮ শতাংশই হিন্দু।ধর্মনিরপেক্ষতার মানে কী, তা ভারতের বাকি অংশকে দেখানোর জন্যই তারা খ্রিস্টান বিজয়কে ভোট দিয়েছে। এখন বিজয় শুধু মুসলিম মেয়েদের বিনামূল্যে শিক্ষা দিয়ে তামিলনাড়ুর হিন্দুদের ধর্মনিরপেক্ষতার আসল অর্থ বুঝিয়ে দিচ্ছেন।এইসব ভাঁড়দের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর জন্য তামিলরা আমাদের ঘৃণা করে।’
আরও এক এক্স ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘তামিলনাড়ুর জনসংখ্যার ৮৬ শতাংশই হিন্দু, এবং তাঁরা উন্নয়নের স্বার্থে বিজয়কে ভোট দিয়েছেন। অথচ, তিনি মুসলিমদের তোষণ করে ভোট জোগাড় করার চেষ্টায় ব্যস্ত। যেসব তামিল হিন্দু তাঁকে ভোট দিয়েছেন, তাঁদের জন্য আমার কোনো কথাই নেই।’
আর একজন এক্স ব্যবহারকারীর প্রতিক্রিয়া হল, ‘তামিলনাড়ুতে মুসলমানরা ১%-এরও কম কর প্রদান করে। তামিলনাড়ু তার সমস্ত সম্পদ পায় হিন্দু করদাতা এবং হিন্দু মন্দিরগুলো থেকে।তারা এই অর্থ ওয়াকফ বোর্ড এবং মুসলমানদের অর্থায়নে ব্যবহার করে। হিন্দু নারীদের কেন বাদ দেওয়া হল ? এটা প্রকাশ্য বর্ণবৈষম্য।’।

