এইদিন আন্তর্জাতিক ডেস্ক,০৫ আগস্ট : ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে ব্যাপক হামলা চালালো রাশিয়া । এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, কিয়েভ ও কিয়েভ অঞ্চলে রাশিয়ার ব্যাপক হামলায় ১৭ জন নিহত এবং ৪৪ জন আহত হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনেস্কি । তার দাবি, ২৪টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, ৪টি জিরকন/ওনিক্স (Zircon/Oniks) ক্ষেপণাস্ত্র এবং ১১৫টি ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছিল এই হামলায়, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ছিল জেট-চালিত। এই হামলার প্রধান লক্ষ্যবস্তু ছিল বেসামরিক বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের গুদামঘর। এছাড়া অবকাঠামো ও একটি রেলওয়ে স্টেশনেও আঘাত হানা হয়েছে।
তিনি এক্স-এ লিখেছেন,নিহতদের পরিবার ও স্বজনদের প্রতি আমি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি। এটি ছিল এক ভয়াবহ আক্রমণ—২৪টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, ৪টি জিরকন/ওনিক্স (Zircon/Oniks) ক্ষেপণাস্ত্র এবং ১১৫টি ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছিল, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ছিল জেট-চালিত। এই হামলার প্রধান লক্ষ্যবস্তু ছিল বেসামরিক বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের গুদামঘর। এছাড়া অবকাঠামো ও একটি রেলওয়ে স্টেশনেও আঘাত হানা হয়েছে। এসব স্থাপনার সাথে যুদ্ধের কোনো সম্পর্ক ছিল না—এর মধ্যে ছিল একটি বিয়ার প্রস্তুতকারক কারখানা, নির্মাণসামগ্রীর গুদাম এবং বেসামরিক লজিস্টিক বা পণ্য পরিবহন কেন্দ্র। ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহতকারী ব্যবস্থা (ইন্টারসেপ্টর) থাকলে আজ যারা প্রাণ হারিয়েছেন, তাদের বাঁচানো সম্ভব হতো।’
তিনি আরও লিখেছেন,’আমাদের অংশীদারদের এটা বোঝা অত্যন্ত জরুরি যে, এসব ব্যবস্থা সরবরাহে বিলম্ব কিংবা অ্যান্টি-ব্যালিস্টিক সিস্টেম প্রদানে অনিচ্ছার ফলে সরাসরি এমন ভয়াবহ প্রাণহানি ও ধ্বংসযজ্ঞের ঘটনা ঘটছে। যেসব অংশীদার ইন্টারসেপ্টর সরবরাহের ক্ষেত্রে এখনই সক্রিয় ভূমিকা নিতে প্রস্তুত নন, তারা নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপের মাধ্যমে সহায়তা করতে পারেন। রাশিয়ার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ এখনও নিষেধাজ্ঞার আওতার বাইরে রয়েছে—এমনকি এখনও। জি-৭ (G7), ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং যারা মানুষের জীবন রক্ষায় বিশ্বাসী—সবার পক্ষ থেকেই এখন নতুন পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। যারা এ ধরনের সহায়তা প্রদানে এগিয়ে আসছেন, তাদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।’
অন্যদিকে,দুবাইয়ের জেবেল আলি বন্দর ও শিল্পাঞ্চলে একাধিক বিস্ফোরণ ঘটে এবং সেখান থেকে ঘন কালো ধোঁয়ার কুন্ডলী উড়তে দেখা যায়। স্থানীয় বাসিন্দারা আজ বুধবার ভোর রাত ২টা ৪০ মিনিটের দিকে বিকট বিস্ফোরণের কথা জানিয়েছেন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে গুরুত্বপূর্ণ বন্দর এলাকার কাছে ঘন ধোঁয়া উড়তে দেখা গেছে।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের কর্তৃপক্ষ এটিকে একটি শিল্প-দুর্ঘটনা হিসেবে অভিহিত করেছে। অন্যদিকে, ইরানের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম এই বিস্ফোরণগুলোকে ইয়েমেন থেকে চালানো হুথি ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোন হামলা বলে দাবি করেছে । তবে বিস্ফোরণগুলোর সাথে হুথি ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোন হামলার কোনো যোগসূত্র থাকার বিষয়ে অনলাইনে যেসব দাবি করা হচ্ছে, তা এখনো যাচাই করা সম্ভব হয়নি; এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো সামরিক বা সরকারি নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি।।
