এইদিন আন্তর্জাতিক ডেস্ক,১২ আগস্ট : আজ বুধবার বেলুচিস্তানের সুরাব এলাকায় পাকিস্তানের বিমান হামলায় নারী ও শিশুসহ ৩০ জনের অধিক বেলুচ বেসামরিক নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে । আরও অনেকে আহত হয়েছেন। হতাহতদের মধ্যে অধিকাংশই নারী ও শিশু। জানা গেছে,মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সরবরাহকৃত এফ-১৬ (F-16) যুদ্ধবিমানের মাধ্যমে এই বিমান হামলা চালানো হয়। হামলার আগে নজরদারির কাজে চীন ও তুরস্কে তৈরি ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছিল।
পাকিস্তানের এই হামলার তীব্র নিন্দা করে একটি বিবৃতি জারি করেছেন দ্য রিপাবলিক অফ বেলুচিস্তানের মুখপাত্র মির ইয়ার বেলুচ । তিনি লিখেছেন,’বেলুচিস্তান প্রজাতন্ত্র পাকিস্তানের বহিরাগত সন্ত্রাসী বাহিনীর দ্বারা বেলুচিস্তানের সুরাব এলাকায় চালানো উসকানিবিহীন বিমান হামলার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে; এই হামলায় প্রায় ৩০ জন নিরপরাধ বেলুচ নাগরিক নিহত এবং আরও অনেকে আহত হয়েছেন। হতাহতদের মধ্যে অধিকাংশই নারী ও শিশু।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সরবরাহকৃত এফ-১৬ (F-16) যুদ্ধবিমানের মাধ্যমে এই বিমান হামলা চালানো হয়। হামলার আগে নজরদারির কাজে চীন ও তুরস্কে তৈরি ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছিল। এটি একটি সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য সন্ত্রাসী হামলা। স্বাধীন বেলুচিস্তান প্রজাতন্ত্রের নারী ও শিশুসহ নিরস্ত্র ও অরক্ষিত বেলুচ বেসামরিক নাগরিকদের ইচ্ছাকৃতভাবে লক্ষ্যবস্তু করার দায়ে পাকিস্তানের দখলদার বাহিনীকে আইনি পদক্ষেপের পাশাপাশি নজিরবিহীন ও অপূরণীয় পরিণতির মুখোমুখি হতে হবে।
বেলুচিস্তানে পাকিস্তানের আগ্রাসী বাহিনীর বিমান হামলার ক্রমবর্ধমান ব্যবহারের পরিপ্রেক্ষিতে, বেলুচিস্তান সেখানে পাকিস্তানের যুদ্ধাপরাধ এবং মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘনের বিষয়ে একটি নথিপত্র বা ডসিয়ার জমা দেবে এবং আইনি প্রক্রিয়া শুরু করবে। এই পর্যায়ে, আমরা আফগানিস্তান এবং এই অঞ্চলের আমাদের মিত্রদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি যেন তারা বেলুচিস্তানের এই আবেদনে শামিল হয় এবং বেলুচিস্তান ও আফগানিস্তানে সংঘটিত যুদ্ধাপরাধের জন্য পাকিস্তানকে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর প্রচেষ্টায় সমর্থন জানায়।
একটি স্বীকৃত রাষ্ট্র হিসেবে আফগানিস্তান এবং আমাদের মিত্ররা হেগ (The Hague) ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক আদালত ও প্রতিষ্ঠানে মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে বেলুচিস্তান প্রজাতন্ত্রকে সহায়তা করতে পারে। এর লক্ষ্য হলো যুদ্ধাপরাধের জন্য পাকিস্তানকে জবাবদিহিতার আওতায় আনা এবং দেশটির ওপর অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা ও কঠোরতম অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপের পাশাপাশি তাকে সন্ত্রাসবাদের কেন্দ্রবিন্দু, সন্ত্রাসবাদে মদতদাতা এবং আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদের উৎস হিসেবে ঘোষণা করা।
বেলুচিস্তান প্রজাতন্ত্র যুক্তরাষ্ট্র এবং ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছে যেন তারা পাকিস্তানকে যুক্তরাষ্ট্রের সরবরাহকৃত যুদ্ধবিমান বেলুচ বেসামরিক নাগরিকদের বিরুদ্ধে ব্যবহারের সুযোগ না দেয়। ওয়াশিংটনকে অবশ্যই পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীকে যন্ত্রাংশ (spare parts), প্রতিরক্ষা ও সামরিক সহায়তা এবং অন্যান্য ধরনের সহযোগিতা প্রদান বন্ধ করতে হবে। আমরা যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আরও আহ্বান জানাচ্ছি যেন তারা ইঞ্জিন-সহায়তা ও আপগ্রেড কর্মসূচি, যুদ্ধবিমানের ইঞ্জিনের মেরামত এবং সেইসব আর্থিক ও লজিস্টিক সহায়তা স্থগিত করে—যা বেলুচ বেসামরিক নাগরিকদের বিরুদ্ধে ব্যবহৃত সামরিক সক্ষমতা বজায় রাখে এবং মানবিক সংকটকে আরও তীব্র করে তোলে।’।
Over 30 Baloch people, including women and children, killed in Pakistani পাকিস্তানের বিমান হামলায় নারী ও শিশুসহ ৩০ জনের অধিক বেলুচের মৃত্যু
এইদিন আন্তর্জাতিক ডেস্ক,১২ আগস্ট : আজ বুধবার বেলুচিস্তানের সুরাব এলাকায় পাকিস্তানের বিমান হামলায় নারী ও শিশুসহ ৩০ জনের অধিক বেলুচ বেসামরিক নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে । আরও অনেকে আহত হয়েছেন। হতাহতদের মধ্যে অধিকাংশই নারী ও শিশু। জানা গেছে,মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সরবরাহকৃত এফ-১৬ (F-16) যুদ্ধবিমানের মাধ্যমে এই বিমান হামলা চালানো হয়। হামলার আগে নজরদারির কাজে চীন ও তুরস্কে তৈরি ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছিল।
পাকিস্তানের এই হামলার তীব্র নিন্দা করে একটি বিবৃতি জারি করেছেন দ্য রিপাবলিক অফ বেলুচিস্তানের মুখপাত্র মির ইয়ার বেলুচ । তিনি লিখেছেন,’বেলুচিস্তান প্রজাতন্ত্র পাকিস্তানের বহিরাগত সন্ত্রাসী বাহিনীর দ্বারা বেলুচিস্তানের সুরাব এলাকায় চালানো উসকানিবিহীন বিমান হামলার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে; এই হামলায় প্রায় ৩০ জন নিরপরাধ বেলুচ নাগরিক নিহত এবং আরও অনেকে আহত হয়েছেন। হতাহতদের মধ্যে অধিকাংশই নারী ও শিশু।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সরবরাহকৃত এফ-১৬ (F-16) যুদ্ধবিমানের মাধ্যমে এই বিমান হামলা চালানো হয়। হামলার আগে নজরদারির কাজে চীন ও তুরস্কে তৈরি ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছিল। এটি একটি সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য সন্ত্রাসী হামলা। স্বাধীন বেলুচিস্তান প্রজাতন্ত্রের নারী ও শিশুসহ নিরস্ত্র ও অরক্ষিত বেলুচ বেসামরিক নাগরিকদের ইচ্ছাকৃতভাবে লক্ষ্যবস্তু করার দায়ে পাকিস্তানের দখলদার বাহিনীকে আইনি পদক্ষেপের পাশাপাশি নজিরবিহীন ও অপূরণীয় পরিণতির মুখোমুখি হতে হবে।
বেলুচিস্তানে পাকিস্তানের আগ্রাসী বাহিনীর বিমান হামলার ক্রমবর্ধমান ব্যবহারের পরিপ্রেক্ষিতে, বেলুচিস্তান সেখানে পাকিস্তানের যুদ্ধাপরাধ এবং মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘনের বিষয়ে একটি নথিপত্র বা ডসিয়ার জমা দেবে এবং আইনি প্রক্রিয়া শুরু করবে। এই পর্যায়ে, আমরা আফগানিস্তান এবং এই অঞ্চলের আমাদের মিত্রদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি যেন তারা বেলুচিস্তানের এই আবেদনে শামিল হয় এবং বেলুচিস্তান ও আফগানিস্তানে সংঘটিত যুদ্ধাপরাধের জন্য পাকিস্তানকে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর প্রচেষ্টায় সমর্থন জানায়।
একটি স্বীকৃত রাষ্ট্র হিসেবে আফগানিস্তান এবং আমাদের মিত্ররা হেগ (The Hague) ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক আদালত ও প্রতিষ্ঠানে মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে বেলুচিস্তান প্রজাতন্ত্রকে সহায়তা করতে পারে। এর লক্ষ্য হলো যুদ্ধাপরাধের জন্য পাকিস্তানকে জবাবদিহিতার আওতায় আনা এবং দেশটির ওপর অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা ও কঠোরতম অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপের পাশাপাশি তাকে সন্ত্রাসবাদের কেন্দ্রবিন্দু, সন্ত্রাসবাদে মদতদাতা এবং আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদের উৎস হিসেবে ঘোষণা করা।
বেলুচিস্তান প্রজাতন্ত্র যুক্তরাষ্ট্র এবং ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছে যেন তারা পাকিস্তানকে যুক্তরাষ্ট্রের সরবরাহকৃত যুদ্ধবিমান বেলুচ বেসামরিক নাগরিকদের বিরুদ্ধে ব্যবহারের সুযোগ না দেয়। ওয়াশিংটনকে অবশ্যই পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীকে যন্ত্রাংশ (spare parts), প্রতিরক্ষা ও সামরিক সহায়তা এবং অন্যান্য ধরনের সহযোগিতা প্রদান বন্ধ করতে হবে। আমরা যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আরও আহ্বান জানাচ্ছি যেন তারা ইঞ্জিন-সহায়তা ও আপগ্রেড কর্মসূচি, যুদ্ধবিমানের ইঞ্জিনের মেরামত এবং সেইসব আর্থিক ও লজিস্টিক সহায়তা স্থগিত করে—যা বেলুচ বেসামরিক নাগরিকদের বিরুদ্ধে ব্যবহৃত সামরিক সক্ষমতা বজায় রাখে এবং মানবিক সংকটকে আরও তীব্র করে তোলে।’।
