এইদিন ওয়েবডেস্ক,লখনউ,০৮ জুন : উত্তর প্রদেশের কানপুর দেহাতে একটি অদ্ভুত সম্পর্ক নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় তোলপাড় সৃষ্টি করেছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, এক যুবক তার স্ত্রীকে ছেড়ে শাশুড়িকে বিয়ে করেছেন। রিপোর্ট অনুসারে, এই ঘটনাটি কানপুর দেহাতের আকবরপুর এলাকায় ঘটেছে, যেখানে ওই ব্যক্তি তার স্ত্রীর সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করে আদালতের মাধ্যমে তার শাশুড়িকে বিয়ে করেছেন।
যদিও বিয়েটি সম্পর্কে এখনও খুব বেশি তথ্য পাওয়া যায়নি, এই দাবিটি সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। ব্যবহারকারীরা অবিশ্বাস ও উপহাস থেকে শুরু করে ক্ষোভ ও উদ্বেগ পর্যন্ত নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করছেন। দম্পতিটির একটি ভিডিও অনলাইনে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করলে বিতর্কটি আরও গতি পায়।
ভাইরাল ভিডিওটিতে দম্পতিকে তাদের বিয়ের সার্টিফিকেট হাতে ধরে জনসাধারণের কাছে তাদের সম্পর্ক মেনে নেওয়ার জন্য আবেদন করতে দেখা যায়। এও বলা হচ্ছে যে, তারা তাদের এই সিদ্ধান্তের জন্য জনগণের আশীর্বাদ চেয়েছেন। প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে যে, মেয়ের বিয়ের পর শাশুড়ি ও জামাইয়ের মধ্যে একটি ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে । বিষয়টি নিয়ে জনমনে চাঞ্চল্য বাড়লেও এখনো পর্যন্ত কোনো পুলিশি অভিযোগ দায়ের করা হয়নি। কর্তৃপক্ষও এ ব্যাপারে কোনো আইনি পদক্ষেপের কথা ঘোষণা করেনি।
ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার সাথে সাথে হাজার হাজার ব্যবহারকারী এই অদ্ভুত ঘটনাটিতে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন, যা এটিকে সোশ্যাল মিডিয়ার অন্যতম আলোচিত বিষয়ে পরিণত করেছে। একজন ব্যবহারকারী লিখেছেন,’আদালতের কেরানি সম্ভবত কাগজপত্রের কাজ আশা করেই দিন শুরু করেছিলেন, এমন একটি মামলার জন্য নয়।’ আর এ কজন ব্যবহারকারী মন্তব্য করেছেন,’কেবল মধ্যবিত্তরাই সমাজে তাদের সম্মান নিয়ে ভাবে, অথচ গরীবরা ভাবে না কারণ এটা তাদের কাছে স্বাভাবিক, এবং ধনীরাও ভাবে না কারণ তারা একে আধুনিকতা বলে।”
তৃতীয় একজন ব্যবহারকারী মজা করে লিখেছেন, “কানপুরের এক ব্যক্তি তার শাশুড়িকে বিয়ে করেছেন। এখন তার প্রাক্তন স্ত্রী তাকে ‘বাবা’ বলে ডাকেন এবং তার ছেলেমেয়েরা তাকে ‘ঠাকুমা’ বলে ডাকে। এখন এই পারিবারিক সম্পর্কগুলো এক জটিল ধাঁধায় পরিণত হয়েছে।”
অনেক মন্তব্যে এই সম্পর্কের সমালোচনা করা হয়েছে। একজন ব্যবহারকারী লিখেছেন, “পুরুষরা তো পুরুষই হয়। কিন্তু এই পাগল মহিলাটির কী হবে? সে কীভাবে নিজের মেয়ের জীবন নষ্ট করতে পারল?” আরেকজন মন্তব্য করেছেন, “কোথাও না কোথাও একটি শিশু নিশ্চয়ই ভাবছে কী বলবে: ‘ঠাকুমা’, ‘সৎমা’, নাকি শুধু ‘শুভ সকাল’।”
