এইদিন আন্তর্জাতিক ডেস্ক,০১ অক্টোবর : গতকাল বুধবার, ফ্লাইদুবাই ফ্লাইটের ওমানি সহ-পাইলটের ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত হওয়ার পরেই ১৭৪ জন যাত্রীর প্রাণ বাঁচাতে সক্ষম হন ভারতীয় পাইলট ক্যাপ্টেন স্মিত মাচ্ছার । এই সন্ত্রাসী হামলার মুল লক্ষ্য ছিল মূলত ইসরায়েল ইহুদি যাত্রীরা । অতজন দেশবাসীর প্রাণ বাঁচানোয় ভারতীয় পাইলটকে “প্রকৃত বীর” আখ্যা দিয়ে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু । সেই সঙ্গে তিনি দাবি করেছেন যে, ৯/১১ সন্ত্রাসী হামলার মত সন্ত্রাসী হামলার পরিকল্পনা করেছিল ওই ওমানি মুসলিম পাইলট ।
এদিকে ফ্লাইদুবাই ফ্লাইটে সন্ত্রাসী হামলার প্রচেষ্টার পর গোটা বিশ্বজুড়ে অমুসলিম দেশগুলির বিমানে মুসলিম পাইলট নিয়োগের বিষয় নিয়ে তীব্র আশঙ্কার সৃষ্টি হয়েছে । নিজ দেশের সরকারকে এনিয়ে সতর্ক করে দিয়েছেন মার্কিন সংস্থা রেয়ার ফাউন্ডেশনের কর্ণধার Amy Mek. তিনি বিমানের ভিতর এক মুসলিম পাইলটের নামাজ পাঠের ভিডিও শেয়ার করে লিখেছেন,জাতীয় নিরাপত্তা সতর্কতা, আমেরিকা – আপনারা কি জানেন আপনাদের বিমান কারা চালাচ্ছে?আকাশে জিহাদ এমন এক হুমকি যা আমরা উপেক্ষা করতে পারি না ।
আজ: দুবাই থেকে ইসরায়েলগামী ফ্লাইট। একজন সহ-পাইলট ক্যাপ্টেনকে ছুরিকাঘাত এবং বিমানটি বিধ্বস্ত করার চেষ্টার অভিযোগে অভিযুক্ত।যাত্রীরা প্রতিরোধ গড়ে তুলছে। একজন যাত্রী ইসলামিক রণহুঙ্কার শোনার কথা জানিয়েছেন: “আল্লাহু আকবার।”
৯/১১-এ ছিনতাই হওয়া ফ্লাইট ৯৩-এর ককপিট রেকর্ডিংয়েও একই শব্দ শোনা গিয়েছিল। এখন দেখুন, একজন আমেরিকান মুসলিম পাইলট আমাদের নিজেদের আকাশ থেকেই কী প্রচার করছেন: “আল্লাহু আকবার।”ফ্লাইটের সময় প্রার্থনা।হালালের নিয়মকানুন।প্রার্থনা কক্ষ নিয়ে অভিযোগ।
এমনকি ফ্লাইটের সময় ককপিটে জায়নামাজ প্রদর্শন।ইসলাম। বিমান। ককপিট। পুনরাবৃত্তি।তিনি চেয়েছিলেন এই ছবিগুলো দেখা হোক।এখন আমেরিকা সেগুলো দেখছে।তার অবিরাম ইসলামিক সোশ্যাল-মিডিয়া কন্টেন্টের জন্য ককপিট ব্যবহারের অনুমোদন কি তার এয়ারলাইন দিয়েছিল?
আমেরিকানরা দেখেছে জিহাদিরা যাত্রীবাহী জেট বিমানকে অস্ত্রে পরিণত করেছে। ককপিট থেকে যা সম্প্রচার করা হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন করার সম্পূর্ণ অধিকার তাদের আছে।ককপিট কোনো মঞ্চ নয়। যাত্রীদের আস্থা কোনো সোশ্যাল-মিডিয়ার পরীক্ষা-নিরীক্ষা নয়। রাজনৈতিক শুদ্ধতার আগে বিমান চলাচল নিরাপত্তা আসে। ‘কখনো ভুলো না’ কোনো স্লোগান ছিল না। এটি ছিল একটি সতর্কবার্তা।।

