এইদিন আন্তর্জাতিক ডেস্ক,১৯ জুলাই : ফিলিস্তিনি পলায়ন আটকাতে তাদেরকে চারপাশ থেকে ঘিরে রাখার জন্য কুমির-বেষ্টিত বিশেষ বন্দিশালা বা কারাগার নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসরায়েল। এই সংক্রান্ত নতুন নিয়মও করেছে তারা। ইসরায়েলের কট্টর ডান জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ক মন্ত্রী ইতমার বেন-গাভির গত বছর ডিসেম্বরে ফিলিস্তিনি বন্দিদের জন্য চারপাশে কুমির দিয়ে ঘেরা বিশেষ কারাগার নির্মাণের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তার এই প্রস্তাবটি এবার অনুমোদন পেয়েছে।
গত বুধবার ইসরায়েলের পরিবেশ সুরক্ষা মন্ত্রী ইদিত সিলম্যান এক অধ্যাদেশ সই করে নতুন আইন করেছেন।এর আওতায় কুমিরকে ইসরায়েলের ‘সংরক্ষিত বন্যপ্রানী’ থেকে সরিয়ে ‘নিয়ন্ত্রিত বন্যপ্রাণী’ হিসেবে শ্রেনিভুক্ত করেছেন তিনি। এর ফলে কুমিরকে নিরাপত্তা বিধানের উদ্দেশ্যে ব্যবহারের পথ প্রশস্ত হয়েছে।অনুমিত নিরাপত্তা সংস্থাগুলো এখন থেকে সরকারের অনুমোদন নিয়ে এবং পরিবেশ বিষয়ক কর্তৃপক্ষের বেঁধে দেওয়া শর্তসাপেক্ষ নীলনদের কুমিরগুলোকে নিরাপত্তা রক্ষার উদ্দেশ্যে পুষতে পারবে।
ইসরায়েলি গণমাধ্যমে বলা হয়েছে, বেন গাভির কুমিরগুলোকে দক্ষিণ ইসরায়েলের কেৎজিয়ত কারাগারে রাখতে চান।ওই কারাগারে ফিলিস্তিনি মুক্তিকামী গোষ্ঠী হামাসের অনেক বন্দি রয়েছে, যারা ২০২৩ সালে ৭ অক্টোবরে গাজায় যুদ্ধ শুরুর পর ইসরায়েলি সেনাদের হাতে ধরা পড়েছিল।
বর্তমানে ইসরায়েলের বিভিন্ন কারাগারে ৯ হাজার ৫০০ ফিলিস্তিনি বন্দি আছে। তাদের মধ্যে নারী, শিশু ও বয়স্করাও আছে।মানবাধিকার সংগঠনগুলোর অভিযোগ, এই বন্দিকে অনাহারে রাখা, নির্যাতন করা এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। এতে অনেক বন্দির মৃত্যুও হচ্ছে।।
