সম্প্রতি উত্তর ২৪ পরগণা জেলার বারাসতের (Barasat) পায়নিয়া এলাকার বাসিন্দা অমৃতা দত্ত চৌধুরী নামে এক মহিলা অভিযোগ করেন যে বাংলাদেশে এমবিবিএস পড়তে গিয়ে ময়মনসিংহের আব্দুল ওয়াকিলকে ইসলামি রীতিতে বিয়ে করে চরম বিপাকে পড়েছেন । তিনি তার এক নাবালক পুত্র ও এক কন্যা সন্তান নিয়ে বাপের বাড়িতে আশ্রয় নিলে সেখানেও তার স্বামী ঝামেলা করছে বলে অভিযোগ তুলেছেন ওই মহিলা । কি কয়েকজন মহিলা ও পুরুষকে সাথে নিয়ে তিনি কথিত “ন্যায় বিচার”-এর দাবিও জানান ।
এদিকে বাংলাদেশের মৌলভীবাজার এর বাসিন্দা Shongku Das ফেসবুক পোস্টে দাবি করেছেন যে, প্রেমের ফাঁদে পরার আগে থেকেই তারা অমৃতা দত্তকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন । কিন্তু তিনি কারোর কোনো কথাই শোনেননি । বারাসত ও বাংলাদেশের একটি সোশ্যাল মিডিয়া চ্যানেলের দুটি পৃথক প্রতিবেদন শেয়ার করেছেন তিনি । Shongku Das তার পোস্টে (https://www.facebook. com/share/v/1GPwJ L3nmy/) লিখেছেন,তখনকার সময় থেকেই বিয়ের আগেই আমরা বুজিয়েছিলাম।তারপর কক্স বাজার গিয়ে যৌন নির্যাতনের স্বীকার হয়, পরবর্তীতে বিচার চাইলো অনলাইনে এসে।যখন আমরা কথা বলেছিলাম ওর সাথে, তখনও সে আমাদেরকে একবার বলে ছেড়ে দেবে থাকে সাহায্য করতে।ওর নাম্বার দিয়েছিলো।কিন্তু সে তার কথাতেই থাকে নাই।পরবর্তীতে ধর্মান্তরিত হয়ে বিয়ে করে।
তারপরেও অনেক কান্নাকাটি করে আবারো সারাদেশে বিচার চাইলো।কিন্তু পরবর্তীতে আবারো ছেলের কথায় সে নীরব হয়ে যায়।তারপর আবার বলে ছেলের হুমকি ধমকিতে সে এসব করেছে। যাই হোক পরবর্তীতে সে দেশে চলে গেলো ভারতে।
তারপর ভারতেই কেনো তার বাড়িতে যায়গা দিলো অথবা সেই সাহস কে দিলো থাকে।অবশ্য মেয়ে এবং মেয়ের পরিবার দায়ী। নাহলে থাকে কখনো তার পরিবারে থাকার প্রশ্নই উঠতো না। সাথে করে আরেকটা বাচ্ছার জন্ম দিতোনা। এই মেয়ে এবং মেয়ের পরিবারই কুলাঙ্গার। মেয়েকে ডাক্তার বানাতে বাংলাদেশে পাঠায়,মানুষ চিকিৎসা করতে ভারতে যায়। এই মেয়ের জন্মেই সমস্যা। নাহলে বাংলাদেশ ভারত সব যায়গাতেই সে এরকম হতোনা। সে সকালে এক কথা বলে আর বিকেলে ছেলের কথা শুনে আরেক কথা বলে।এমন অবস্থাতে কে থাকবে ওর পাশে (sd)
Shongku Das-এর শেয়ার করা বাংলাদেশের ওই চ্যানেলের প্রতিবেদন অনুযায়ী,বারাসতের (Barasat) পায়নিয়া এলাকার বাসিন্দা অমৃতা দত্ত চৌধুরী ঢাকা মেডিকেল কলেজের চতুর্থ বর্ষের ছাত্রী । ২০২২ সালের এপ্রিল মাসে ময়মনসিংহের আব্দুল ওয়াকিলের সঙ্গে ফেসবুকে তার পরিচয় হয় । পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে৷ পরে তারা বিয়ের সিদ্ধান্ত নিলে আব্দুল ওয়াকিল তাকে ধর্ম পরিবর্তন করায় । অমৃতা দত্ত চৌধুরী থেকে নাম পরিবর্তন হয়ে মেহেজাবিন চৌধুরী হয় । মুসলিম ধর্মে ধর্মান্তরিত হয়ে ২০২২ সালের ১৭/৯ তারিখে তারা ইসলামী শরিয়ত রীতিতে বিয়ে করে৷ বিয়ের পর আব্দুল ওয়াকিল তাকে পরিবারের কাছে না নিয়ে গিয়ে স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন হোটেলে থাকতে শুরু করে৷
মেহেজাবিন চৌধুরী ওরফে অমৃতা দত্ত চৌধুরী ওই চ্যানেলের মহিলা সাংবাদিককে বলেছিলেন,’বিয়ের পর আমাকে কক্সবাজারে নিয়ে যায় । সেখানে যাওয়ার পর আমাকে অস্বীকার করে । মোবাইল টাকা সব হাতিয়ে নেয়৷ আমি তখন এতটাই ভয় পেয়ে যাই যে আমি তখন ইন্ডিয়াতে ব্যাক করি । ওখানে মিডিয়াতে আমি বিষয়টা জানাই যে বাংলাদেশে এমন আমার সঙ্গে আমার অঘটন ঘটেছে । তখন সে আমাকে ঢাকায় ফিরে আসতে বলে৷ এবং আমায় বলে যে আমাকে নিয়ে সংসার করবে এবং সমস্ত খবর ডিলিট করে দিতে হবে। তার উদ্দেশ্য ছিল যে আমার সঙ্গে সে সংসার করবে না । কিছু করে মামলা থেকে অব্যাহতি চাইছিল সে৷ একারণে বিয়ে করার পর কিছু তুই আমাকে বাড়ি নিয়ে যায়নি । তার জন্য আমি আমার ধর্ম পরিবর্তন করেছি ।’
বাংলাদেশের মৌলভীবাজার এর বাসিন্দা Shongku Das আরও লিখেছেন,শেষের দিকে এসে, এদিকে আমাদের সাথে কথা বলতো/সেদিকে আইডির নাম মুসলিম করেও দিয়েছিলো।জিজ্ঞাসা করলে বলতো আইডির পাসওয়ার্ড আব্দুল ওয়াকিলের কাছে।নতুন আইডি খুলেনাই কিন্তু সে।ঢাকাতে পরিচিত লোকের নাম্বার দিয়ে আইডি দিয়ে বলেছিলাম যোগাযোগ করতে,কিন্তু সে সেটা করেনাই।
কৃষ্ণ দার সাথে একবার মনে হয় কথা বলেছিলো এরকমই বলেছে মনে হচ্ছে।কিন্তু সে কৃষ্ণ দার কথামতো যায়গায় ও যায়নি। উনি একটা যায়গার নাম বলেছিলেন আমার মনে হচ্ছেনা এখন।কিন্তু সে যায়নি সেটাও কৃষ্ণ দা বলেছিলেন আমাকে।
তিনি লিখেছেন,যাইহোক আমার আব্দুল আলগ হ্যায় বলা মেয়েগুলার পরিণতি দেখে আসলে মনের শান্তি মিলে। কারন মনকে শান্তি দিতে পারি যে থাকে বুজানোর চেষ্টা আমরা করেছিলাম সে বুঝেনাই যেহেতু, তাহলে তার এই পরিণতির জন্য অবশ্য সে নিজেই দায়ী।ওর ভারতের বর্তমান পরিস্থিতি দেখতে নিচে লিংক দেয়া আছে দেখে নেবেন। বর্তমানে এই আব্দুল দিয়েই ভারতেই আরেকটা মেয়ের জন্ম দিয়েছে সে।তারপর আবার নির্যাতন বাড়িঘর ভাংচুর, অবশেষে পুলিশ গ্রেফতার করেছে আব্দুলকে । তার দেওয়া লিঙ্কটি হল : https://www. facebook .com/share/v/1ExPuVVzDT/

