এইদিন ওয়েবডেস্ক,কলকাতা,১২ মে : পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ধৃত প্রাক্তন দমকল মন্ত্রী সুজিত বসুকে ২১ মে পর্যন্ত এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) হেপাজতের নির্দেশ দিল ব্যাঙ্কশাল আদালত । আদালতের নির্দেশের পর সুজিত বসুকে ফের সিজিও কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। মূলত অয়ন শীলের সঙ্গে তাঁর যোগসূত্র, নিতাই দত্তের ভূমিকা এবং বন্ধ রেস্তোরাঁয় কীভাবে কোটি কোটি টাকা এল? আগামী ১০ দিন ধরে সুজিতকে জেরা করে এই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে চাইছে ।
ইডি আদালতে দাবি করেছে,পুর নিয়োগ দুর্নীতির অন্যতম অভিযুক্ত অয়ন শীলের কাছ থেকে পাওয়া ডিজিটাল নথিতে সুজিত বসুর সুপারিশ করা একাধিক চাকরিপ্রার্থীর নাম মিলেছে । শুধু তাইই নয়,সুজিত বসু এবং তার পরিবারের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে কোটি কোটি টাকার রহস্যজনক লেনদেনের হদিশও পাওয়া গেছে । ইডির আরও দাবি যে নিয়োগ দুর্নীতির কালো টাকাকে সাদা করার জন্য সুজিত বসুর রেস্তোরাঁটি করোনাকালে বন্ধ থাকা সত্ত্বেও কোটি কোটি টাকার আয় দেখানো হয়েছে ।
আজ সুজিত বসুকে আদালতে নিয়ে যাওয়ার সময় ওঠে “চোর চোর” শ্লোগান । এদিকে রাজারহাট গোপালপুরের বিজেপি বিধায়ক ও আইনজীবী তরুনজ্যোতি তিওয়ারি একটি ভিডিও বার্তায় বলেছেন,’তৃণমূলের জমানায় ৬০ টি পুরসভায় মোটা টাকার বিনিময়ে নিয়োগ হয়েছিল । এই দুর্নীতির উৎসস্থল ছিল দক্ষিণ দমদম পুরসভা । যারা ৮ টা ওয়ার্ডের মধ্যে রাজারহাট গোপালপুরও পড়ে । এই মামলার তদন্ত আটকানোর জন্য মমতা ব্যানার্জির নেতৃত্বে পশ্চিমবঙ্গ সরকার হাইকোর্ট থেকে সুপ্রিমকোর্টে পর্যন্ত গিয়েছিল । কিন্তু সুপ্রিম কোর্টে ঘাড় ধাক্কা খায় ।’
তিনি বলেন, এই দুর্নীতির জাল শুধু দক্ষিণ দমদম পুরসভাতেই নেই । গোটা রাজ্যজুড়ে পুরসভা গুলোতে আছে । কলকাতা পুরসভাতেও আছে ।’ এরপর তিনি আশ্বস্ত করে বলেন,চিন্তা করবেন না সবকটার হিসাব হবে । রাজারহাট গোপালপুরের দেবরাজ চক্রবর্তী যদি আগামী এক বছরের মধ্যে গ্রেফতার না হয় তাহলে আমার নামে কুকুর পুষবেন ।’।
