এইদিন ওয়েবডেস্ক,বাংলাদেশ,০৬ নভেম্বর : বাংলাদেশে উগ্র ইসলামপন্থীদের অত্যাচার প্রবল আকার ধারন করেছে । এবারে খাস রাজধানী শহর ঢাকায় এমন একটি ঘটনা ঘটেছে যাতে ব্যাপক আতঙ্কিত স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ । অভিযোগ উঠেছে যে, এক হিন্দু নারী বোরখা পরতে অস্বীকার করায় শাসকদল বাংলাদেশ ন্যাশনাল পার্টির (বিএনপি) এক নেতা ও তার দলবল বাড়িতে ঢুকে নির্মমভাবে পিটিয়ে আহত করেছে । ঢাকার মিরপুরের বাসিন্দা রীতা রানী গুরুতর আহত অবস্থায় বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন । হামলাকারী মহম্মদ ফিরোজ বিএনপির অঙ্গসংগঠন স্বেচ্ছাসেবক দলের মিরপুর থানা শাখার আহ্বায়কের পদে রয়েছে বলে জানা গেছে ।
ঘটনাটি নিয়ে আরও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে পুলিশের এক কর্মকর্তার মন্তব্যে। অভিযোগ, মিরপুর থানার ওই কর্মকর্তা ভুক্তভোগী নারীর পোশাক ও সৌন্দর্যকে ঘটনার জন্য দায়ী করে তাঁকে বোরকা পরার পরামর্শ দিয়েছেন।
জানা গেছে,ঢাকার মিরপুরের বাসিন্দা রীতা রানী যুব মহিলা লীগের সংগঠক ছোটবোন । তিনি দেখতে খুব সুন্দরী । আর একারণে বিএনপির নেতা মহম্মদ ফিরোজ তাকে বোরখা পরার পরামর্শ দিয়েছিল । কিন্তু রীতা রানী বোরখা পরতে অস্বীকার করেন । আর তার এই অপরাধে আজ বেলার দিকে ফিরোজ তার দলবল নিয়ে তার বাড়িতে চড়াও হয় । ভাঙচুরের পাশাপাশি রীতা রানীকে লাঠি দিয়ে নির্মমভাবে পেটানো হয় বলে অভিযোগ ।
আওয়ামী লিগের ফেসবুক পেজে হামলার মুহুর্তের ভিডিও শেয়ার করে ঘটনার বিবরণ দিয়ে বলা হয়েছে, ‘মিরপুর থানা যুব মহিলা লীগের সংগঠক ছোটবোন শ্রীমতী রীতা রানীকে বাসায় ঢুকে স্বেচ্ছাসেবক দলের থানার আহবায়ক ফিরোজের নেতৃত্বে পাশবিক নির্যাতন করা হয়!! এ বিষয়ে থানায় যোগাযোগ করা হলে ওসি জবাব দেয় তার সৌন্দর্য নাকি তার কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে!! এভাবে আর কত আওয়ামীলীগ নির্যাতন চলবে?’

