এইদিন ওয়েবডেস্ক,দক্ষিণ ২৪ পরগনা,০৫ জুলাই : দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার বারুইপুরে ১২ বছরের এক কিশোরীকে প্রকাশ্য রাস্তা থেকে অপহরণ- গনধর্ষণের পর খুন করে দেহ পলিথিনের বস্তায় ভরে পুকুরের জলে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠল । ঘটনাটি ঘটেছে বারুইপুর থানার ধপধপি-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের সূর্যপুর হাট এলাকায় । আজ রবিবার সকালে কিশোরীর বাড়ির অদূরে একটি পুকুরের জলে তার দেহটি ভেসে ওঠে । এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এলাকায় । ক্ষিপ্ত জনতা এক সন্দেহভাজনকে ঘিরে ধরে বেদম পিটিয়ে দেয় । বারুইপুর থানার পুলিশ তাকে উদ্ধার করে থানায় আনে । পরে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় । পাশাপাশি মৃত কিশোরীর দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে পুলিশ । এদিকে মৃতা কিশোরীর বাবার সঙ্গে ফোনে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কথা হয়েছে বলে জানা গেছে৷
জানা গেছে,মৃত কিশোরী পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী৷ শনিবার বিকেল প্রায় চারটে নাগাদ খাবার কিনতে বাড়ি থেকে বের হয়েছিল মেয়েটি । সেই সময় স্থানীয় ৪ যুবক তাকে রাস্তা থেকে জোর করে তুলে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ । এদিকে দীর্ঘক্ষণ মেয়েটি বাড়ি না ফেরায় পরিবারের লোকজন খোঁজাখুঁজি শুরু করে । কিন্তু তার কোনো হদিশ করতে পারেনি । আজ সকালে সূর্যপুর হাট এলাকায় কিশোরীর বাড়ির অদূরে একটি পুকুরে তার দেহটি ভাসতে দেখে কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা । এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই ঘটনাস্থলে ভিড় জমে যায়। পরে পরিবারের সদস্যরা সেখানে গিয়ে ওই নাবালিকার দেহটি শনাক্ত করেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের সন্দেহ,রাতভর ওই কিশোরী উপর পাশবিক নির্যাতন চালিয়ে খুন করা হয়েছে ।
এদিকে মৃতদেহটি রাস্তায় ফেলে তুমুল বিক্ষোভ দেখায় ক্ষিপ্ত জনতা । দোষীদের ফাঁসির দাবি তোলেন তারা৷ কলকাতা হাইকোর্টের আইনজীবী ও স্থানীয় বাসিন্দা আজাদ মন্ডল বলেন, ‘নির্বাচনী প্রচারের সময় বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেছিলেন যে,এই ধরনের ঘটনায় অভিযুক্তদের সকালে ধরে বিকেলে খরচ করে দেবেন । তাই আমাদের দাবি অভিযুক্তদের ফার্স্ট ট্রাক কোর্টেই ফাঁসিতে ঝোলানো হোক ।’।
