এইদিন ওয়েবডেস্ক,ভাতার(পূর্ব বর্ধমান),০৬ জুন : প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা প্রকল্প বাবদ প্রাপ্ত অর্থ থেকে গরীব উপভোক্তাদের ভয় দেখিয়ে কাটমানি আদায় করেছিল তৃণমূলের নেতাকর্মীরা । কারোর কাছে ৫০০০ টাকক,কারোর কাছে ৭০০০ টাকা, কারোর কাছে ৮০০০ টাকা এবং কারোর কাছে ১৫০০০ টাকা পর্যন্ত আদায় করা হয়েছিল বলে অভিযোগ । সেই টাকা আদায় করে দেওয়ার দাবিতে আজ শনিবার পুলিশের দ্বারস্থ হলেন পূর্ব বর্ধমান জেলার ভাতার থানার কালিপাহারি গ্রামের বাসিন্দারা । তারা এনিয়ে একটি লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন । অভিযুক্তদের তালিকায় রয়েছেন : নিত্যানন্দপুর পঞ্চায়েতের উপপ্রধান জুলফিকার আলী, পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ সফিকুল আলম,পঞ্চায়েত সমিতর ক্যাশিয়ার সুশান্ত দে এবং কালিপাহারি গ্রামের তৃণমূল কর্মী মৃণালকান্তি গড়াই, সুব্রত মুখার্জি, সুশান্ত ভট্টাচার্য এবং তারক মালিক ।
গ্রামবাসীদের তরফে অভিযোগটি দায়ের করেছেন কালিপাহারি গ্রামের বাসিন্দা জনৈকা মিঠু হাজরা নামে এক বিধবা মহিলা । তার অভিযোগ, ২০২৩ সালে তিনি যখন প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা প্রকল্পের প্রথম কিস্তির টাকা পেয়েছিলেন তখন তাকে ভয় দেখিয়ে জোর করে তার কাছ থেকে আদায় করা হয় । প্রতিবাদ করলে তাকে মারধর ও শ্লীলতাহানি করা হয় । এছাড়া তাদের গ্রামের বাসিন্দা রুপা বড়ালের কাছে ৫০০০ টাকা,ভারতী মাঝির কাছে ৭০০০ টাকা এবং অঞ্জলি সাঁতরার কাছ থেকে একইভাবে ১৫০০০ টাকা আদায় করা হয়েছিল । তার আরও অভিযোগ যে শুধু মারধর বা শ্লীলতাহানিই নয়,টাকা না দিলে গ্রাম ও এলাকা ছাড়া করার পর্যন্ত হুমকি দেওয়া হয়েছিল ।
বিক্ষোভকারীদের কথায়, স্থানীয় কর্মীরা ভয় দেখিয়ে টাকা তুলতো । তারপর নেতাদের কাছে সেই টাকা পাঠিয়ে ভাগবাটোয়ারা করে নিত তৃণমূল । এভাবে অন্তত ২০ লক্ষ টাকা তোলাবাজি করা হয়েছে বলে অভিযোগ তাদের । তারা সেই কাটমানির টাকা ফেরত এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন পুলিশের কাছে।।
