এইদিন আন্তর্জাতিক ডেস্ক,২১ জুন : পাকিস্তানি যৌন নির্যাতনকারী চক্রের হাত থেকে অপহৃত মেয়েকে উদ্ধার করতে গিয়ে উল্টো পুলিশ এক ব্রিটিশ বাবাকে গ্রেপ্তার করেছে বলে সোশ্যাল মিডিয়ায় দাবি করা হচ্ছে । প্রতিবেদন অনুযায়ী,এক ব্রিটিশ বাবা জানতে পারেন যে তার মেয়েকে একটি পাকিস্তানি যৌন নির্যাতনকারী চক্র(গ্রুমিং গ্যাং) অপহরণ করে তার ওপর নির্যাতন চালাচ্ছে।তাকে বাঁচানোর জন্য মরিয়া হয়ে তিনি সেই বাড়িতে যান যেখানে তার মেয়েকে আটকে রাখা হয়েছিল। কিন্তু নিজের সন্তানকে উদ্ধারে সাহায্য করার পরিবর্তে পুলিশ সেই বাবাকেই গ্রেপ্তার করে ।
এদিকে এই ঘটনা সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ্যে এলে ব্রিটিশ বামপন্থী সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র ঘৃণা উগরে দিয়েছেন নেটিজেনরা । একজন এক্স ব্যবহারকারী লিখেছেন,”স্টারমার(ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী)আমার মনে এমন এক গভীর ঘৃণা জাগিয়ে তোলে, যা আমার নিজের মনুষ্যত্বকেই প্রশ্নবিদ্ধ করে।সেই লোকটা, যে আমাদের স্বাধীনতা খর্ব করে শিশুদের রক্ষা করার ভান করে, অথচ একই সাথে লক্ষ লক্ষ মেয়েকে বিদেশী বর্বরদের দ্বারা ধর্ষিত হতে দেয়।সেই লোকটা, যে তার কর্কশ গলায় আমাদের নৈতিকতার জ্ঞান দেওয়ার দুঃসাহস দেখায়, অথচ এমন এক সভ্যতার অধিপতি, যা সমস্ত অধঃপতিত বিষয়কে উদযাপন করে এবং সমস্ত পবিত্র জিনিসকে পদদলিত করে।আমি কিয়ার স্টারমারকে এমন এক আগুনের শিখা দিয়ে ঘৃণা করি, যা আমার পেটের গভীরে জ্বলে ওঠে। বিশ্বাসঘাতক, কাপুরুষ ক্ষুদ্র মানুষ।”
একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, ব্রিটেনে বিগত ২৫ বছরে ২,৫০,০০০ শ্বেতাঙ্গ মেয়ে ধর্ষিতা হয়েছে৷ আর ধর্ষকদের ৯০ শতাংশ মুসলিম অভিবাসী । তাদের মধ্যে অধিকাংশ পাকিস্তানি । সম্প্রতি বার্মিংহামে সাজিদ খান নামে এক পাকিস্তানি ব্যক্তি ১৩ বছর বয়সী এক শ্বেতাঙ্গ ব্রিটিশ কিশোরীকে যৌন নির্যাতনের চেষ্টা করলে স্থানীয় বাসিন্দারা তাকে ধরে ফেলে । কিন্তু সাজিদ তাদের বলে, “আমি পরোয়া করি না, পুলিশ ও জেলে আমার অনেক বন্ধু আছে।”
তার এই দাবি সত্যি প্রমাণিত করে ওয়েস্ট মিডল্যান্ডস পুলিশ “আর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হবে না” বলে মামলাটি বন্ধ করে দিয়েছে।
থমাস হিল নামে একজন এক্স ব্যবহারকারী(https://x.com/i/status/2068468510544806160) লিখেছেন, “ব্রিটিশ নাগরিকরা অনেক আগেই যিশু খ্রিস্টের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। ব্রিটিশ আইনের আর কোনো অস্তিত্ব নেই। তার জায়গায় শরিয়া আইন এসেছে। ইংল্যান্ড শেষ। সব শেষ। এ নিয়ে আর আলোচনা করার কোনো মানে হয় না। অন্য পশ্চিমা দেশগুলো অনুতপ্ত না হলে, তারাও সবাই ধ্বংসের এই একই ঈশ্বরবিহীন পথে চলবে।”
