এইদিন ওয়েবডেস্ক,কলকাতা,০৪ নভেম্বর : রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষের পারফরম্যান্সের ভুয়সী প্রশংসা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী । আজ বুধবার কলকাতায় পঞ্চায়েত ভবনে, পঞ্চায়েত ও রুরাল ডেভেলপমেন্ট দপ্তরের ১২৫ দিনের কাজ (VB-G RAM G) সহ অন্যান্য বিষয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যালোচনা বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন মুখ্যমন্ত্রী । বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন,’আমি খুব খুশি এমআইসি দিলীপ ঘোষের মহান নেতৃত্বে এমওএস শান্তনু প্রামানিক এবং মুখ্য সচিব খুব ভালো পারফরম্যান্স করছেন । টিমওয়ার্ক সুন্দর । ইন্টার ডিপার্টমেন্ট যে সমস্যাগুলো ছিল মুখ্যমন্ত্রী এবং মুখ্য সচিবের দায়িত্ব সেগুলো সমাধান করা । সেটা আমরা আজ রোড ম্যাপ বানিয়ে ফেলেছি, খুব তাড়াতাড়ি শর্ট আউট করে দেবো ।’
এদিন পঞ্চায়েত দপ্তরে ৭,১৯০টি শূন্যপদে নিয়োগের ঘোষণা করেছেন।মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ২০২৭ সালের এপ্রিলের মধ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। নিয়োগে স্বচ্ছতা আনতে নতুন নিয়ম চালু করা হবে। পাবলিক সার্ভিস কমিশনের (পিএসসি) মাধ্যমে নিয়োগ প্রক্রিয়া পরিচালিত হবে। স্থায়ী নিয়োগের পাশাপাশি ১,০০০ জনকে অস্থায়ী পদেও নিয়োগ করা হবে। একই সঙ্গে নিউটাউনে নতুন পঞ্চায়েত ভবন তৈরির কথাও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেছেন,এজন্য ৫ একর জায়গা দেওয়া হবে পঞ্চায়েত মন্ত্রককে ।
এদিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন পঞ্চায়েতমন্ত্রী দিলীপ ঘোষ, কৃষিমন্ত্রী দুধকুমার মণ্ডল সহ দপ্তরের আধিকারিকরা। বৈঠকে রাজ্যের সমস্ত বিডিও এবং জেলাশাসকরাও ছিলেন। এদিনের বৈঠকে ১২৫ দিনের কাজ এবং প্রধানমন্ত্রী গ্রামীণ আবাস যোজনা নিয়েও পর্যালোচনা হয়। বৈঠক শেষে মুখ্যমন্ত্রী জানান, প্রতিদিন ২২ লক্ষ মানুষ ১২৫ দিনের কাজ পাচ্ছেন। এই প্রকল্পে ১৩ হাজার কোটি টাকারও বেশি বরাদ্দ করা হয়েছে। এর মধ্যে কেন্দ্রের দেওয়ার কথা ৮ হাজার কোটি টাকা এবং রাজ্যের বরাদ্দ ৫ হাজার কোটি টাকা। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, প্রথম ধাপে ইতিমধ্যেই কেন্দ্র ১,২০০ কোটি টাকা দিয়েছে। শুভেন্দু অধিকারী বলেন,’১০ লক্ষ নতুন জব কার্ড দেওয়া হয়েছে। আমাদের মনে হচ্ছে ভারত সরকার দেওয়ারের লক্ষ্য পূর্ণ করতে পারব। কাজ শুরু হয়েছে। এখনও পর্যন্ত ৬৫ লক্ষ ৬২ হাজার কর্মদিবস তৈরি করতে পেরেছি।’ সব শেষে তিনি বলেন,’আমার বিশ্বাস যে,রাজ্যের পঞ্চায়েত দপ্তরকে দেশের মধ্যে আমরা মডেল হিসাবে স্থাপিত করতে পারব ।’।

