কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদী সরকারকে সরাতে সচেষ্ট আমেরিকা,চীন ও আন্তর্জাতিক ইসলামি মৌলবাদী শক্তিগুলি । ওই বৈদেশিক শক্তিগুলি কোটি কোটি ডলার অর্থ লগ্নি করে ভারতে তাদের বেশ কিছু দালার তৈরি করে রেখেছে বলে অভিযোগ । কিন্তু ভারতের হিন্দুরা এককাট্টা হয়ে পাশে দাঁড়ানোয় তারা মোদীর কোনো ক্ষতি সাধন করতে পারছে না ।
গতকাল দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টির’ যে হিংসাত্মক মিছিল হয়েছিল সেখানে দেখা গিয়েছিল অনেক সন্দেহভাজন রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তিত্বদের । বামপন্থী ও উগ্র বামপন্থী, আম আদমি পার্টি, সমাজবাদী পার্টি,তৃণমূল কংগ্রেস, ভীম সেনা, কংগ্রেসের অনেক ছোটখাটো নেতাদের দেখা যায় । পাশাপাশি দেখা যায় অরুন্ধুতি রায়ের মত দেশ বিরোধী লেখিকা ও শাবানা আজমি- প্রকাশ রাজ- অভিনেতা কুনিকা সদানন্দ-পুনম পান্ডের মত বিতর্কিন অভিনেতা অভিনেত্রীদের । তবে দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তোলা এক সময়ে মার্কিন ডিপস্টেটের অন্যতম হাতিয়ার এবং বর্তমানে চীনের এজেন্ডা চালানো সোনম ওয়াংচুক অনশনের ডাক দিয়ে বেশি নজরে আসেন ।
এদিকে শাবানা আজমিদের মত মুখগুলি সম্পর্কে সতর্ক করে দিয়েছেন ব্লিটজ পত্রিকার সম্পাদক সালহা উদ্দিন শোয়েব চৌধুরী । তিনি এক্স-এ লিখেছেন,”শাবানা আজমি, ভারতে ব্রিটিশ খ্রিস্টান এনজিও ‘অ্যাকশনএইড’-এর চেয়ারপার্সন, যা প্রতি বছর ৮৫ থেকে ১০০ কোটি টাকারও বেশি বিদেশি অনুদান পায়। শাসন পরিবর্তনের ষড়যন্ত্রকে বাস্তবায়িত করতে এবং ভারতকে চরম নৈরাজ্যের দিকে ঠেলে দিতে, বর্ষা মৌসুমের শুরুতেই অর্থাৎ ২০শে জুলাই থেকে ডিপ স্টেট নতুন করে তাদের কুখ্যাতি শুরু করেছে। ডিপ স্টেটের ভাঁড়েরা তাদের কুখ্যাতি আরও বাড়িয়ে তুলবে, কারণ তারা ফরেন কন্ট্রিবিউশনস রেগুলেশন অ্যাক্ট (FCRA)-এর ওপর ক্ষিপ্ত।” তিনি ভারতবাসীর কাছে আবেদন জানান, “আমি বিনীতভাবে ভারতীয় গণমাধ্যম, থিঙ্ক-ট্যাঙ্ক এবং জাতীয়তাবাদী শক্তিগুলোকে এই বিদেশি ভাড়াটেদের বিরুদ্ধে আওয়াজ তোলার আহ্বান জানাচ্ছি।”
পাশাপাশি বাংলাদেশের “ডিপ স্টেট ষড়যন্ত্র”-এর দৃষ্টান্ত তুলে ধরে তিনি লিখেছেন,”বাংলাদেশে আমরা ২০২৪ সালে দেখেছি, কীভাবে মার্কিন ডিপ স্টেট তাদের শাসন পরিবর্তনের চক্রান্তে তারকাদের ব্যবহার করেছিল। এখন ভারতেও ঠিক একই ঘটনা ঘটছে। শাবানা আজমি থেকে অরুন্ধতী রায় পর্যন্ত—এভাবে একে একে অনেকেই এই গভীর ষড়যন্ত্রে যোগ দেবে!”
এদিকে জানা গেছে যে, ‘ককরোচ জনতা পার্টির’ প্রধান পান্ডা অভিজিৎ দীপকের বিরুদ্ধে জাতীয় নিরাপত্তা আইনে মামলা করতে পারে দিল্লি পুলিশ । পাশাপাশি সংসদের মত সংবেদনশীল এলাকায় ড্রোনের সাহায্যে ভিডিও তোলার জন্য পুলিশের র্যাডারে রয়েছে আরশোলা পার্টির সম্পাদক সৌরভ দাস।।
