এইদিন ওয়েবডেস্ক,ইসলামাবাদ,১৭ জুলাই : মুসলিম অপহরণকারীর হেফাজত থেকে মুক্তি পেতে আদালতে লড়ছে পাকিস্তানের ১৩ বছর বয়সী খ্রিস্টান কিশোরী । গত বছর অপহরণকারী ৩০ বছর বয়সী এক মুসলিম ব্যক্তি আহমদের জিম্মায় ওই কিশোরীকে বিচারক ফেরত পাঠানোর পর,কিশোরী তার পরিবারের সঙ্গে পুনর্মিলনের জন্য আদালতে লড়াই করছে। অ্যালায়েন্স ডিফেন্ডিং ফ্রিডম (এডিএফ)-এর ক্রিস্টিন ডগলাস-উইলিয়ামস বলেছেন, পাকিস্তানে খ্রিস্টান মেয়েদের ওপর জোরপূর্বক ধর্মান্তরকরণ এবং যৌন দাসত্ব (জোরপূর্বক বিবাহ) কর্তৃপক্ষের নাকের ডগায় চলছে, যারা এই ধরনের প্রথাকে প্রশ্রয় দেয়, কারণ এগুলো ইসলামি ধর্মগ্রন্থ ও নীতির ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত।
২০২৫ সালের জুলাই মাসে শেহরিয়ার আহমেদ মারিয়া শাহবাজ নামে ওই খ্রিস্টান কিশোরীকে তাদের বাড়ি থেকে অপহরণ করা হয়, তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ম গ্রহণে বাধ্য করে ৩০ বছর বয়সী এক মুসলিম পুরুষকে ইসলামি রীতিতে বিয়ে করতে বাধ্য করা হয়৷ অ্যালায়েন্স ডিফেন্ডিং ফ্রিডম (এডিএফ)- এর এক প্রেস বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, এরপর থেকে শাহবাজ “গুরুতর নির্যাতন ও শোষণের শিকার হয়েছে”।
পূর্ববর্তী এক তদন্তে জানা যায় যে, সে নাবালিকা ছিল এবং তার বিয়ের কাগজপত্র জাল ছিল। তা সত্ত্বেও, পাকিস্তানের ফেডারেল সাংবিধানিক আদালত ফেব্রুয়ারিতে তাকে অপহরণকারী আহমদের হেফাজতে রাখার রায় দেওয়ার আগে তার বয়স নিশ্চিত করেনি বলে জানা গেছে। এই রায়টি পাকিস্তানি আইনের পরিপন্থী, কারণ আইন অনুযায়ী নাবালকদের বিয়ে বা ধর্ম পরিবর্তনে সম্মতি দেওয়ার অনুমতি নেই। লেখক রবার্ট স্পেনসার্স বলেছেন,’পশ্চিমা বিশ্বের বামপন্থী নারীবাদীরা, যারা মেয়ে ও নারীদের সার্বজনীন অধিকার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করার ভান করে, তারা ইসলামি নিপীড়নের শিকার নারীদের নিয়ে ভাবে না।’।
