এইদিন ওয়েবডেস্ক,কর্ণাটক,০৯ জুন : কর্নাটকের বিদারের সরকারি হাসপাতাল “ইনস্টিটিউট অফ মেডিকেল সায়েন্সেস” (ব্রিমস)-এর অ্যাটেনডেন্ট মুনির আহমেদ মর্গে মৃত নারীদের নগ্ন ছবি তুলে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করছিল। মহিলা কমিশনের হস্তক্ষেপে পুলিশ অভিযুক্ত অ্যাটেনডেন্টকে গ্রেপ্তার করেছে। এই ঘটনায় ব্রিমসের বিভাগীয় প্রধান ডাঃ মোসিনুল হক গত ২৫ মে, ২০২৬ তারিখে পুলিশের কাছে একটি অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে বলা হয়, অভিযুক্ত মুনির আহমেদ বেশ কয়েক বছর ধরে মর্গে কর্মরত ছিল । অভিযোগে আরও বলা হয়, ময়নাতদন্তের সময় আহমেদ মৃত নারীদের শরীর থেকে কাপড় খুলে তার মোবাইল ফোন দিয়ে তাদের নগ্ন ছবি তুলত । তদন্তে মুনির আহমেদের মোবাইল ফোনে এই ধরনের অসংখ্য নগ্ন ছবি পাওয়া যায়।
কর্তৃপক্ষ আরও অভিযোগ করেছে যে, বিদ্বেষপূর্ণ উদ্দেশ্যে ছবিগুলো তার মোবাইল ডিভাইসে সংরক্ষণ করা হয়েছিল।হাসপাতালের কর্মকর্তারা এই ঘটনাটিকে পেশাগত আচরণ, চিকিৎসা নীতি এবং গোপনীয়তার গুরুতর লঙ্ঘন বলে বর্ণনা করেছেন। তারা বলেছেন, এই কর্মকাণ্ড মৃত নারীদের মর্যাদা ক্ষুণ্ণ করেছে এবং তাদের পরিবারের বিশ্বাস ও অনুভূতির অবমাননা করেছে।
মহিলা কমিশনও বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে নেয়।অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে, বিদার নিউ টাউন পুলিশ এটিকে ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার (বিএনএস) ৩০১ এবং ৬২ ধারায় একটি মামলা নথিভুক্ত করেছে।পুলিশ অভিযোগগুলোর বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে এবং ঘটনার পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখছে।
কর্মকর্তারা বলেছেন, তদন্তের ফলাফল এবং তদন্ত চলাকালীন সংগৃহীত প্রমাণের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।এই ঘটনাটি মর্গের অভ্যন্তরীণ আচরণ এবং তদারকি নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে, এবং কর্তৃপক্ষ সর্বদা নৈতিক মান বজায় রাখা এবং মৃত ব্যক্তিদের মর্যাদা ও গোপনীয়তা রক্ষা করার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছে।পুলিশ জানিয়েছে, আরও তদন্ত এবং অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।।
