এইদিন ওয়েবডেস্ক,মালদা,২৫ মে : বাংলাদেশি বা রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশকারীদের ধরে প্রাথমিকভাবে রাখার জন্য জেলায় জেলায় ‘হোল্ডিং সেন্টার’ তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী । মুখ্যমন্ত্রীর এই নির্দেশের পরেই মালদা জেলায় চালু হয়ে গেল জেলার প্রথম ‘হোল্ডিং সেন্টার’ । ইংরেজবাজার শহরের চন্দন পার্ক এলাকায় জেলা পরিষদের ভবনে এই ‘হোল্ডিং সেন্টার’টি খোলা হয়েছে । ইতিমধ্যেই ৩ বাংলাদেশি মহিলা ও তাদের ৬ নাবালক সন্তানকে এনে রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে । গাজল থানার পান্ডুয়া এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয় বলে জানা গেছে ।
এদিকে এই ‘হোল্ডিং সেন্টার’-কে নিরাপত্তার চাদড়ে মুড়ে ফেলা হয়েছে । ভবনটিকে সর্বক্ষণ সিসিটিভি -এর নজরদারিতে রাখা হয়েছে । নিরাপত্তার রাখা হয়েছে ১২ জন পুলিশ কর্মী, ৩ জন সিভিল ডিফেন্স, ৩ সিভিক ভলান্টিয়ার৷ এছাড়া,রান্নার জন্য ২ জন মহিলাকে নিযুক্ত করা হয়েছে । তবে কংগ্রেস নেতা কৃষ্ণেন্দু নারায়ন চৌধুরীর সতর্কবার্তা হল, এদেশীয়দের যেন বাংলাদেশি বলে চালিয়ে না দেওয়া হয় । সেই সাথে তিনি আটক ৯ জনকে ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়ার প্রসঙ্গ উত্থাপন করে বলেছেন, সেটা ভারত সরকার ঠিক করবে ।
নির্দেশ অনুযায়ী,অনুপ্রবেশকারীদের আটক করে ৩০ দিন রাখা যাবে।অনুপ্রবেশকারী তো বটেই, যারা এর আগে ধরা পড়েছিল এবং বন্দি ছিল, যাদের দেশের বাইরে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে, তাদেরও সেখানে রাখা যাবে বলে জানিয়েছে রাজ্য সরকার।
অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করে ফেরত পাঠানোর নির্দেশিকা আগেই জারি করেছিল কেন্দ্রীয় সরকার। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সম্প্রতি নবান্ন থেকে সাংবাদিক বৈঠক করে জানান, পূর্বতন সরকার কেন্দ্রের সেই নির্দেশ পালন করেনি। তাঁর সরকার ক্ষমতায় আসার পর রাজ্যে ওই সংক্রান্ত আইন কার্যকর করা হয়েছে। সিএএ বা নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের অন্তর্ভুক্ত নন যাঁরা, এ বার তাঁদের অবিলম্বে চিহ্নিত করে গ্রেফতার করা হবে। সরাসরি তুলে দেওয়া হবে সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ-এর হাতে। বিএসএফ তাঁদের সংশ্লিষ্ট দেশে ফেরত পাঠানোর কাজ করবে।।
