এইদিন ওয়েবডেস্ক,কলকাতা,১৬ মে : নির্বাচনী প্রচারে দু’জনকে এক মঞ্চে বিশেষ দেখা যায়নি । কিন্তু রাজ্যের শাসন ক্ষমতায় আসতেই চিত্র বদলে গেছে । শুভেন্দু অধিকারীকে “বেস্ট মুখ্যমন্ত্রী” আখ্যা দিলেন মিঠুন চক্রবর্তী । পালটা রাজ্যের ক্ষমতা পরিবর্তনের জন্য “মহাগুরু”র অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করলেন মুখ্যমন্ত্রী । নিজের অফিসিয়াল সোশ্যাল মিডিয়া পেজে তিনি আরও লিখেছেন, ‘বিজেপি কেন্দ্রীয় সমিতির সদস্য তথা বিশিষ্ট অভিনেতা সম্মানীয় শ্রী মিঠুন চক্রবর্তী মহোদয়ের সাথে কলকাতায় সৌজন্য সাক্ষাৎ করলাম।
২০২১ এর পর থেকে ২০২৬ -এ বিজেপির সরকার গঠন পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের পরিবর্তনের লক্ষ্যে, পশ্চিমবঙ্গের হৃত গৌরব ফিরিয়ে আনতে তিনি নিরলস পরিশ্রম করেছেন, এরাজ্যের প্রতিটি প্রান্তে ছুটে বেড়িয়েছেন। পশ্চিমবঙ্গের মা বোনদের উপর নির্যাতন বা রাষ্ট্রবাদীদের প্রতি অত্যাচারের বিরুদ্ধে সম্মানীয় শ্রী মিঠুন চক্রবর্তী মহোদয় গর্জে উঠে যেভাবে পাশে থেকেছেন তার জন্য তাঁকে কুর্ণিশ জানাই।’
আজ শনিবার সকালেই নিউটাউনে মিঠুন চক্রবর্তীর বাসভবনে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী । বাড়িতে মিঠুনের সঙ্গে বেশ কিছুক্ষণ কথা বলেন । পরে দু’জনেই বাইরে এসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন । শুভেন্দু অধিকারী অত্যন্ত বিনয়ের সঙ্গে জয়ের ‘নেপথ্য কারিগর’ মিঠুন চক্রবর্তীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন,’জনগণের ভোট এবং মানুষের আশীর্বাদ মাথায় নিয়ে নির্বাচনে জয়ী হয়েছি, দলীয় সিদ্ধান্তে আজ মুখ্যমন্ত্রীর আসনে বসেছি ঠিকই; কিন্তু এই দীর্ঘ ও কঠিন রাজনৈতিক লড়াইয়ের নেপথ্যে যাঁদের অবদান সবচেয়ে বেশি, তাঁদের মধ্যে প্রধান সারিতে যারা ছিলেন মিঠুনদা তাদের মধ্যে অন্যতম ।’
একথা শোনার পর মিঠুন চক্রবর্তী হাসতে হাসতে মুখ্যমন্ত্রীকে জড়িয়ে ধরেন এবং বলেন,’আমি বলছি শুনুন,এ হল বেস্ট মুখ্যমন্ত্রী । পশ্চিমবঙ্গে এর থেকে ভালো মুখ্যমন্ত্রী পাবে না। শপথ নেওয়ার পর মুহূর্ত থেকে ইনি কাজ শুরু করেছেন। আগামীদিনে আর কী কী হয়, তা সকলে দেখবেন।’
এই সৌজন্য সাক্ষাতের পরেই মুখ্যমন্ত্রী রওনা দেন দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ড হারবারে নিজের প্রথম হাইপ্রোফাইল প্রশাসনিক সফরের উদ্দেশ্যে । সেখানে আজ ডায়মন্ড হারবার, সুন্দরবন ও বারুইপুর পুলিশ জেলার শীর্ষ আধিকারিক এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা প্রশাসনের শীর্ষ কর্তাদের নিয়ে মেগা পর্যালোচনা বৈঠকে বসবেন তিনি। এলাকার বিধায়কদের নিয়েও আরও একদফা বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে তাঁর।।
