এইদিন ওয়েবডেস্ক,কলকাতা,১২ জুলাই : কলকাতা মেট্রোপলিটন সদর দপ্তর আগেই হাতছাড়া হয়ে গেছে । জেলা জুড়ে তাবড় নেতারাও ট্রাক চেঞ্জ করে ফেলেছে ৷ দলের জমানো ফান্ডও কার্যত হাতছাড়া । এবারে গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিও হাতছাড়া হয়ে গেল ‘কালীঘাট তৃণমূল’-এর । মমতা ব্যানার্জির শুরু করা ‘২১ জুলাইয়ের শহিদ দিবস’ হাইজ্যাক করে নিল ঋতব্রত ব্যানার্জির ‘আসল তৃণমূল’ । আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তার কারণে এবারে কোনো তৃণমূলকেই ধর্মতলায় ‘শহিদ দিবস’ সভার অনুমতি দেয়নি পুলিশ । তবে ঋতব্রত শিবিরকে বিকল্প হিসাবে গান্ধি মূর্তির পাদদেশে সভা করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে । গতকাল ‘নতুন তৃণমূল’-এর পক্ষ থেকে রাজ্য পুলিশের ডিজি সিদ্ধিনাথ গুপ্তার সঙ্গে দেখা করে গান্ধি মূর্তির পাদদেশে সভা করার আবেদন জানানো হলে সেই আবেদন মঞ্জুর করা হয় । ইতিমধ্যেই সভার আয়োজনের প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে তারা ৷ অন্যদিকে কালীঘাট তৃণমূল শিবির নিজেদের অবস্থান নিয়ে এখনও অস্পষ্টতায় রয়েছে।
১৯৯৩ সালের ২১ জুলাই যুব কংগ্রেসের মহাকরণ অভিযানে পুলিশের গুলিতে ১৩ জন কর্মী নিহত হয়েছিলেন। তাঁদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে প্রতি বছর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে এই দিনটি শহিদ দিবস হিসেবে পালিত হয়। দীর্ঘ বছর ধরে ধর্মতলাই ছিল এই সভার মূল কেন্দ্র। ফলে ফি বছর এই দিনটিতে ব্যাপক দুর্ভোগ পোহাতে হত কলকাতাবাসীকে । সেই কারনে রাজ্যে পালাবদলের পর শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকার ধর্মতলায় সভা সমাবেশের উপর লাগাম টেনে ধরে ।
যদিও ‘কালীঘাট তৃণমূল’-এর চেয়ারম্যান মমতা ব্যানার্জি আগেই জানিয়ে দিয়েছেন, যেকোনো পরিস্থিতিতে তারা “শহীদ দিবস” পালন করবেন । প্রয়োজন হলে একটা গাড়ির উপর গুটিকয়েক কর্মীকে নিয়েও সভা করবেন । এখন দেখার বিষয় কি পদক্ষেপ নেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ।।
