• Blog
  • Home
  • Privacy Policy
Eidin-Bengali News Portal
  • প্রচ্ছদ
  • রাজ্যের খবর
    • কলকাতা
    • জেলার খবর
  • দেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলার খবর
  • বিনোদন
  • রকমারি খবর
  • ব্লগ
No Result
View All Result
  • প্রচ্ছদ
  • রাজ্যের খবর
    • কলকাতা
    • জেলার খবর
  • দেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলার খবর
  • বিনোদন
  • রকমারি খবর
  • ব্লগ
No Result
View All Result
Eidin-Bengali News Portal
No Result
View All Result

জবাই করে ৪ জনকে খুন,মা-মেয়েকে হত্যার আগে গনধর্ষণ, পুলিশ কমিশনার মহম্মদ আব্দুল মাবুদের কান্নার “নাটক” : পাকিস্তানের ছকে রাষ্ট্রীয়ভাবে হিন্দু নরসংহারের ষড়যন্ত্র বাংলাদেশে ! 

Eidin by Eidin
August 24, 2026
in রকমারি খবর
জবাই করে ৪ জনকে খুন,মা-মেয়েকে হত্যার আগে গনধর্ষণ, পুলিশ কমিশনার মহম্মদ আব্দুল মাবুদের কান্নার “নাটক” : পাকিস্তানের ছকে রাষ্ট্রীয়ভাবে হিন্দু নরসংহারের ষড়যন্ত্র বাংলাদেশে ! 
4
SHARES
51
VIEWS
Share on FacebookShare on TwitterShare on Whatsapp

গত শনিবার রাতে রংপুর নগরের কামালকাছনা এলাকার একটি তিনতলা বাড়ি থেকে চারটি লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। উদ্ধার করা লাশ চারটি হলো রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), মেয়ে আগামী চক্রবর্তী (২৫) ও ছেলে আয়ুশ চক্রবর্তীর (১৩)। হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে কয়েক ঘন্টার মধ্যেই রবিবার ভোরে দুজনকে আটক করার কথা জানায় পুলিশ। সিদ্ধার্থ দাস (১৯) ও মুগ্ধ দাস (২৩) নামের ওই দুই তরুণের বাড়ি গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ির কাছে। এরপর গতকাল বেলা দেড়টার দিকে সাংবাদিক সম্মেলন করে হত্যাকাণ্ড নিয়ে বিস্তারিত তথ্য জানান রংপুর মহানগর পুলিশ কমিশনার মহম্মদ আবদুল মাবুদ । তার দাবি, ইয়াবা সেবনে বাধা দেওয়ায় গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী ও দুই সন্তানকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাস। পরে হত্যার ঘটনা ভিন্ন খাতে নিতে ঘরে জিনিসপত্র ছড়িয়ে রেখে ডাকাতির নাটক সাজানোর চেষ্টা করে তারা । পুলিশ কমিশনাকে কথিতভাবে আবেগ বিহ্বল হয়ে সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরার সামনে কাঁদতে দেখা যায় । যদিও তার সেই কান্নাকাটিকে কাহিনীর স্ক্রিপ্টের অংশ বলে মনে করছেন অনেকে । যদিও সিদ্ধার্থ দাসের বাবা-মা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন ইয়াবা সেবন তো দুরের কথা, তাদের ছেলের বিড়ি সিগারেটের নেশা পর্যন্ত নেই । 

এদিকে অসমর্থিত সূত্র থেকে যেসমস্ত খবর সামনে আসছে তা রীতিমতো চমকে দেওয়ার মত । দাবি করা হচ্ছে যে,অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী,তাঁর স্ত্রী ও তাঁদের দুই সন্তানকে জবাই করে খুন করা হয়েছিল । খুনের আগে গনধর্ষণ করা হয় মৃত গণপতিবাবুর স্ত্রী ও ২৪ বছরের কন্যাকে । পাশাপাশি এটাও দাবি করা হচ্ছে যে গণপতি চক্রবর্তী রংপুর নগরের কামালকাছনা এলাকায় যখন থেকে জায়গা কিনে বাড়ি নির্মানের কাজ শুরু করেন তখন থেকেই দেশের তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বর্তমান শাসকদল বাংলাদেশ ন্যাশনাল পার্টির (বি এন পি) স্থানীয় নেতারা তাঁর কাছ থেকে “জিজিয়া কর”  দাবি করে আসছিল । আর তা দিতে অস্বীকার করার কারনেই গণপতি চক্রবর্তী সহ তাঁর গোটা পরিবারকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে । 

যদিও পুলিশ কমিশনার মহম্মদ আবদুল মাবুদের দাবি, চারজনকেই শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে এবং যৌন নির্যাতনের কোনো প্রমান মেলেনি । কিন্তু অকুস্থলে তদন্তে যাওয়া পুলিশ আধিকারিকের পরনের জামা একজন ধৃত তরুনকে পরিয়ে কেন আদালতে নিয়ে যাওয়া হল ? এই প্রশ্ন করার সুযোগ সংবাদমাধ্যমকে দেননি পুলিশ কমিশনার । স্বভাবতই রংপুর নগরের হিন্দু শিক্ষক সহ তার গোটা পরিবারকে নৃশংস হত্যার ঘটনা নিয়ে সেদেশের শুভবুদ্ধি সম্পন্ন মানুষজন এবং কিছু মিডিয়া বিস্তর প্রশ্ন তুলেছেন । তার মধ্যে বাংলাদেশের জনপ্রিয় সংবাদমাধ্যম “কালবেলা”-এর আজকের একটি প্রতিবেদন নিচে দেওয়া হল : 

রংপুর নগরীতে জেলা স্কুলের সাবেক শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হত্যার ঘটনায় দুজনকে গ্রেপ্তারের দাবি করেছে মহানগর পুলিশ। এ ঘটনায় পুলিশের ব্যাখ্যার বিপরীতে কিছু বিষয় নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।

রবিবার (২৩ আগস্ট) দুপুর পৌনে ১টার দিকে মহানগর পুলিশ কমিশনারের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান রংপুর মহানগর পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আব্দুল মাবুদ।সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ কমিশনার বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার দুজন হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। তবে পুলিশের প্রাথমিক বক্তব্য ও ঘটনাস্থল এবং নিহতদের পরিবারের স্বজনদের বক্তব্য নিয়ে বেশ কিছু বিষয় নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

পুলিশ কমিশনার জানান, জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত জানান, বৃহস্পতিবার রাতে মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থ এক মাদক কারবারির কাছ থেকে ইয়াবা কিনে গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ির পাশেই সীমান্ত নামের একজনের বাড়িতে বসে ইয়াবা সেবন করেন। পরে রাতের শেষ দিকে তারা দেবু নামের এক ব্যক্তির নির্মাণাধীন ভবনের ছাদ থেকে গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ির ছাদে যান। সেখানে ইয়াবা সেবনের সময় শব্দ শুনে গণপতি চক্রবর্তী খালি গায়ে ও গলায় গামছা নিয়ে ছাদে আসেন। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, ইয়াবা সেবনের সময় শব্দ শুনে ছাদে গিয়ে কথা বলতে গিয়ে প্রথমে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীকে হত্যা করা হয়। পরে তার স্ত্রী, মেয়ে ও ছেলেকেও হত্যা করা হয় । 

সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ কমিশনার বলেন, গ্রেপ্তার দুজন জানিয়েছে তারা ওই রাতে পাশেই সীমান্তের বাড়িতে গিয়ে ইয়াবা সেবন করেছে। পরে শেষ রাতের দিকে দেবু নামের এক ব্যক্তির তিন তলা ভবনের ছাদ থেকে গণপতি চক্রবর্তীর বাসার ছাদে লাফ দিয়ে গিয়ে ইয়াবা সেবন করেন।

এ সময় পুলিশ কমিশনারকে প্রশ্ন করা হয়, অভিযুক্তরা ইয়াবা সেবনের জন্য দেবু নামের ওই ব্যক্তির নির্মাণাধীন তিন তলা ভবনের নির্মানাধীন তিন তলার পুরো ফাকা ‘স্পেস’ ও ছাদ ব্যবহার না করে তারা গণপতি চক্রবর্তীর বাসার ছাদে কেন গেলেন?

এ সময় তিনি বলেন, ‘এত অল্প সময়ে এই হত্যাকান্ড নিয়ে মামলার যতটুকু অগ্রগতি হয়েছে, আমি আলহামদুলিল্লাহ বলব। আমি আপনাদের বলব পুলিশের ভালো কাজগুলোর প্রশংসা করবেন এবং নেগেটিভ কাজের সমালোচনা করবেন। শেষে কথাটা বলব আমার উপর আস্থা রাখতে পারেন।’-এই কথা বলে তিনি ব্রিফিং সমাপ্ত করেন।

ঘুমিয়ে থাকা ১৩ বছরের প্রিয়মকে খুন করতে হলো কেন?

সংবাদ সম্মেলনে মহানগর পুলিশ কমিশনার আব্দুল মাবুদ বলেন, ‘আর এই যে ৪টা খুন হয়েছে, ৪টা খুন একের পর এক হয়েছে। প্রথমে গণপতি চক্রবর্তী স্যারকে খুন করা হয়।স্যারের গোঙানির শব্দ পেয়ে তার ওয়াইফ প্রীতিলতা ম্যাডাম যখন যাচ্ছিলেন, তখন তাকে খুন করা হয়। তার শব্দ পেয়ে মেয়ে প্রার্থী চক্রবর্তী যখন আসছিলেন, তখন তাকেও খুন করা হয়। সবশেষে ঘুমিয়ে থাকা নিষ্পাপ শিশুটাকে খুন করা হয়।’

পুলিশের এই বক্তব্যের পরই একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সামনে আসে একজন হত্যার সময় অন্য কেউ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পড়লে তাকে হত্যার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু প্রিয়ম তো ঘুমিয়েই ছিল। তাহলে তাকে হত্যার প্রয়োজন কেন মনে করেছিল হত্যাকারীরা?

বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছিল কে? 

মাছুয়া পাড়ার যে বাড়ি থেকে চারজনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে সেই বাড়িটির বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছিল। তবে হত্যাকাণ্ডের আগে নাকি পরে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছিল সে তথ্য এখনো জানা যায়নি। খবর পেয়ে শনিবার রাতে ঘটনাস্থলে গিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ওই বাড়িতে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন দেখতে পান। পরে তারা পুনরায় সংযোগ চালু করে তদন্ত কাজ শুরু করেন। তাহলে প্রশ্ন হল এই বাড়ির বিদ্যুৎ সংযোগ কখন করা হয়েছিল এবং কারা করেছিল?

হত্যার আগে বোনকে কল করেছিলেন প্রীতিলতা চক্রবর্তী

বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে ছোট বোন পূজা চক্রবর্তীকে হোয়াটসঅ্যাপে কল করেন গণপতি চক্রবর্তীর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী। কথোপকথন শুরুতে মেয়ে আগামী চক্রবর্তী তার মাসির সাথে কথা বলেন। পরে দুই বোনের মধ্যে পাঁচ মিনিটের মতো সময় ধরে কথোপকথন হয়।

পূজা চক্রবর্তী কালবেলাকে বলেন, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে কথা বলার পর তিনি ঘুমিয়ে পড়েন। পরদিন শুক্রবার দেখেন রাত ২টা ৪০ মিনিটে তার বোন তাকে হোয়াটসঅ্যাপে কল দিয়েছিলেন। কিন্ত মোবাইলের ডাটা কানেকশন বন্ধ করে রাখায় সেই কল তিনি পাননি।পরবর্তীতে কল ব্যাক করলেও তার ফোনে আর কল ঢোকেনি।

হঠাৎ করেই দরজা বন্ধ করে ঘুমাতে শুরু করেছিলেন গণপতি 

গত বছরের ডিসেম্বরে অবসরে যাওয়ার প্রায় দুমাস আগ থেকে হঠাৎ করেই ঘরের দরজা বন্ধ করে ঘুমানো শুরু করেন গণপতি চক্রবর্তী। তার সঙ্গে পঞ্চম শ্রেণি পড়ুয়া পুত্র প্রিয়ম চক্রবর্তীও ঘুমাত ।

গণপতি চক্রবর্তী এর স্ত্রীর ছোটবোন পূজা চক্রবর্তী বলেন, ‘দিদি আমার বাড়িতে এসে হঠাৎ বলে তোর জামাইবাবু ঘরের দরজা বন্ধ করে ঘুমানো শুরু করেছে। তিনি সম্ভবত কোন ভয়ে ছিলেন।’

বাড়ি নির্মাণের সময় পেয়েছিলেন ‘থ্রেট’, মীমাংসা করেছিলেন গণপতি

রংপুর জিলা স্কুলের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে অবসরে যান। এর আগে তিনি স্কুলের পাশে বাংলাদেশ ব্যাংক মোড় এলাকায় ভাড়া বাড়িতে থাকতেন।

দুই-তিন বছর আগে নগরীর মাছুয়াপাড়া এলাকায় বাড়ি নির্মাণ করে বসবাস করতে শুরু করেন। তবে এ সময় কিছু ব্যক্তিদের কাছ থেকে ‘থ্রেট’ পেয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন গনপতি চক্রবর্তীর দাদা গোপীনাথ চক্রবর্তী এর মেয়ের জামাই বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী।

বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী কালবেলাকে বলেন, ‘আমার কাকা শ্বশুর আমাকে বলেছিলেন তাকে নাকি কারা হুমকি দেন। আমি তার কাছে বারবার সেসব ব্যক্তির নাম শুনতে চাইলেও তিনি বলেননি। পরে জানান যে তাদের সাথে মীমাংসা করে ফেলেছেন। তিনি খুবই চাপা স্বভাবের মানুষ ছিলেন।’

এদিকে রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার দুই যুবক সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাস আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে । জবানবন্দি শেষে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত । রবিবার (২৩ আগস্ট) বিকেল ৫টার দিকে ধৃত দুই তরুনকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতের বিচারক মহম্মদ রফিকুল ইসলামের কাছে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন তারা।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মিলন চ্যাটার্জি।তিনি বলেন, ‘গ্রেপ্তার দুই যুবক আদালতে হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।’  তারা নিজেদের দায় স্বীকার করায় তাদের আর রিমান্ডে নেওয়ার প্রয়োজন হয়নি বলে জানিয়েছেন তিনি । তদন্ত কর্মকর্তা আরও দাবি করেছেন, জবানবন্দিতে তারা হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে বেশ কিছু তথ্য দিয়েছেন। তদন্তের স্বার্থে এ মুহূর্তে সেসব তথ্য প্রকাশ করা সম্ভব নয়। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় এনে বিচারের মুখোমুখি করা হবে।

জবানবন্দি গ্রহণ শেষে রাত সাড়ে ১১টার দিকে সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত। পরে তাদের প্রিজন ভ্যানে করে কারাগারে নেওয়া হয়।

এর আগে শনিবার রাতে নগরীর মাছুয়াপাড়া এলাকার নিজ বাড়ি থেকে রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী ও দুই সন্তানের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে রবিবার ভোরে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে একই এলাকার দুই যুবক মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাসকে আটক করা হয়।

এ ঘটনায় নিহত গণপতি চক্রবর্তীর দাদা গোপীনাথ চক্রবর্তী রবিবার কোতোয়ালি থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন।।

Tags: BangladeshRangpur
Previous Post

নারায়ণীয়ং দশক ৫ – বিরাট্ পুরুষোত্পত্তিঃ : বিশ্বসৃষ্টির আদি রহস্য ও বিরাট পুরুষের রূপ বর্ণনা করেছেন মেলপত্তুর নারায়ণ ভট্টাথিরি

Next Post

“কোনো বাচ্চার মুখের দুধ কেড়ে নেওয়া হয়নি…দুর্ঘটনা হলে কে দায় নেবে ?” : ‘কালীঘাট তৃণমূল’ কুণাল ঘোষকে প্রশ্ন ছুড়ে দিলেন অগ্নিমিত্রা পাল 

Next Post
“কোনো বাচ্চার মুখের দুধ কেড়ে নেওয়া হয়নি…দুর্ঘটনা হলে কে দায় নেবে ?” : ‘কালীঘাট তৃণমূল’ কুণাল ঘোষকে প্রশ্ন ছুড়ে দিলেন অগ্নিমিত্রা পাল 

"কোনো বাচ্চার মুখের দুধ কেড়ে নেওয়া হয়নি...দুর্ঘটনা হলে কে দায় নেবে ?" : 'কালীঘাট তৃণমূল' কুণাল ঘোষকে প্রশ্ন ছুড়ে দিলেন অগ্নিমিত্রা পাল 

No Result
View All Result

Recent Posts

  • “কোনো বাচ্চার মুখের দুধ কেড়ে নেওয়া হয়নি…দুর্ঘটনা হলে কে দায় নেবে ?” : ‘কালীঘাট তৃণমূল’ কুণাল ঘোষকে প্রশ্ন ছুড়ে দিলেন অগ্নিমিত্রা পাল 
  • জবাই করে ৪ জনকে খুন,মা-মেয়েকে হত্যার আগে গনধর্ষণ, পুলিশ কমিশনার মহম্মদ আব্দুল মাবুদের কান্নার “নাটক” : পাকিস্তানের ছকে রাষ্ট্রীয়ভাবে হিন্দু নরসংহারের ষড়যন্ত্র বাংলাদেশে ! 
  • নারায়ণীয়ং দশক ৫ – বিরাট্ পুরুষোত্পত্তিঃ : বিশ্বসৃষ্টির আদি রহস্য ও বিরাট পুরুষের রূপ বর্ণনা করেছেন মেলপত্তুর নারায়ণ ভট্টাথিরি
  • মুম্বাইয়ের মাজগাঁও-এ গণপতি আগমন যাত্রার সময় একটি ভবন থেকে ডিম ছোড়ার ঘটনাকে ঘিরে  উত্তেজনা; বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন 
  • শ্রীনগর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে চম্পট দিল ২ শিশু ধর্ষক ফরমান খান ও মুখতার আহমেদ গুজার 
  • প্রচ্ছদ
  • রাজ্যের খবর
  • দেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলার খবর
  • বিনোদন
  • রকমারি খবর
  • ব্লগ

© 2023 Eidin all rights reserved.

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In
No Result
View All Result
  • প্রচ্ছদ
  • রাজ্যের খবর
    • কলকাতা
    • জেলার খবর
  • দেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলার খবর
  • বিনোদন
  • রকমারি খবর
  • ব্লগ

© 2023 Eidin all rights reserved.