এইদিন ওয়েবডেস্ক,নয়াদিল্লি,০২ অক্টোবর : বাংলায় ২০২৬ এর বিধানসভার ভোটে কার্যত ধুয়েমুছে সাফ হয়ে গেছে মমতা ব্যানার্জির দল । যেটুকু অবশেষ ছিল, তাও ভেঙে তিন টুকরো হয়ে গেছে । এমতবস্থায় রাজনীতির ময়দানে নিজের ও ভাইপো অভিষেক ব্যানার্জির অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে খড়কুটো আঁকড়ে ধরার মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছেন মমতা । ফলশ্রুতিতে একসময় নিজেই প্রধানমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন দেখা মমতা ব্যানার্জি এখন কংগ্রেসের রাহুল গাঁধিকে ইন্ডি জোটের প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসাবে মেনে নিতে কোনো অসুবিধা নেই বলে জানিয়েছেন ।
২০২৯ সালের লোকসভার নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে রাহুল গান্ধীকে সমর্থন করবেন কি না, এই প্রশ্নের জবাবে মমতা স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, রাহুল গাঁধি প্রধানমন্ত্রী হলে তাঁর কোনো আপত্তি নেই। দিল্লিতে অনুষ্ঠিত ভারতীয় জনতা পার্টির সভার পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছিলেন মমতা ব্যানার্জি ।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন যে, এই ধরনের প্রশ্ন সব সময় করা উচিত নয় এবং তাঁরা একটি পরিবার। তিনি বলেন যে, সময় এলে তাঁরা এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন। ভারতীয় জনতা পার্টির বিভিন্ন নেতা ইতিমধ্যেই স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, তাঁদের প্রধান উদ্দেশ্য হলো দেশকে রক্ষা করা এবং কে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হবেন, তা এখন প্রাসঙ্গিক নয়।
৩০শে সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত ইন্ডি জোটের সভায় মমতা বলেছেন যে, তিনি বিরোধী জোটের মুখ হিসেবে বিরোধী নেতা রাহুল গাঁধিকে মেনে নিয়েছেন। তবে, মল্লিকার্জুন খাড়গে বলেছেন যে, এই সভা নেতৃত্বের পদ নিয়ে আলোচনার জন্য নয়, বরং দেশের মুখোমুখি হওয়া চ্যালেঞ্জগুলোর ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবিলা করার জন্য ।
এদিকে,ইন্ডি জোট প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তেজস্বী যাদব বলেছেন যে, জোটের এক সুরে কথা বলার প্রয়োজনীয়তা বাড়ছে এবং এর জন্য মুখপাত্র থাকা উচিত।।

