• Blog
  • Home
  • Privacy Policy
Eidin-Bengali News Portal
  • প্রচ্ছদ
  • রাজ্যের খবর
    • কলকাতা
    • জেলার খবর
  • দেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলার খবর
  • বিনোদন
  • রকমারি খবর
  • ব্লগ
No Result
View All Result
  • প্রচ্ছদ
  • রাজ্যের খবর
    • কলকাতা
    • জেলার খবর
  • দেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলার খবর
  • বিনোদন
  • রকমারি খবর
  • ব্লগ
No Result
View All Result
Eidin-Bengali News Portal
No Result
View All Result

মিথ্যাচারী, কুটিল,কপটরা কর্মফল ভোগের জন্য ফের পৃথিবীতে ফিরে আসে : প্রশ্নোপনিষদ্

Eidin by Eidin
June 19, 2026
in রাজ্যের খবর
মিথ্যাচারী, কুটিল,কপটরা কর্মফল ভোগের জন্য ফের পৃথিবীতে ফিরে আসে : প্রশ্নোপনিষদ্

Oplus_131072

3
SHARES
49
VIEWS
Share on FacebookShare on TwitterShare on Whatsapp

প্রশ্নোপনিষদ হল আদি শঙ্করাচার্য্য কর্তৃক বর্ণিত “প্রাথমিক” উপনিষদের মধ্যে একটি। এটি অথর্ববেদের সাথে সম্পর্কিত একটি মুখ্য উপনিষদ। মুক্তিকা গ্রন্থের ১০৮টি উপনিষদে এটি ৪ নম্বরে  রয়েছে। এই পাঠের  বিষয়বস্তু ছয়টি প্রশ্ন এবং তাদের উত্তর রয়েছে, তাই এই নামকরণ করা হয়েছে। এটি প্রশ্নোত্তর আকারে। প্রথম এবং শেষ প্রশ্নগুলি বাদে, বাকি সমস্ত প্রশ্ন আসলে ছোট ছোট উপ-প্রশ্নের একটি দল।
এই উপনিষদের শুরুতে বর্ণিত হয়েছে, দেবত্ব বা ব্রহ্ম জানতে আগ্রহী ছয়জন ছাত্র ঋষি পিপ্পলদের কাছে আসে এবং তাদের আধ্যাত্মিক সন্দেহগুলি স্পষ্ট করার জন্য তাকে অনুরোধ করে। অবিলম্বে উত্তর দেওয়ার পরিবর্তে, পিপ্পলদ তাদের তাঁর স্থানে এক বছরের জন্য তপস্যা এবং ব্রহ্মচর্য গ্রহণ করতে বলেন। এক বছর পূর্ণ হওয়ার পর, ছাত্ররা ঋষিদের জিজ্ঞাসা করে, তারপর ঋষি তাদের প্রশ্নের উত্তর দেন।

প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা ছাত্ররা হলেন:
★ ভরদ্বাজের পুত্র সুকেশ
★ শিবির পুত্র সত্যকামা
★গর্গের বংশধর, সৌর্যায়নী
★ অশ্বালার পুত্র, কৌশল্যা
★ ভৃগু গোত্রের অন্তর্গত বিদর্ভ দেশের ভার্গব
★কাট্যের পুত্র, কাবান্ধি
তাদের প্রত্যেকেই পিপ্পলদাকে একটি করে প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করে এবং তার উত্তর(গুলি) উপনিষদের একটি অধ্যায় গঠন করে।


প্রশ্নোপনিষদের প্রথম প্রশ্নটি হলো ঋষি পিপ্পলাদ ও ছয়জন ব্রহ্মনিষ্ঠ শিষ্যদের মধ্যে প্রশ্নোত্তর। এই অংশে সৃষ্টির মূল উৎস প্রাণ এবং রয়ি (বা অন্ন)-এর পারস্পরিক সম্পর্ক, সূর্য ও চন্দ্রের প্রতীকী অর্থ এবং সংসার চক্রের আধ্যাত্মিক ব্যাখ্যা প্রদান করা হয়েছে।
ছয়জন ব্রহ্মজ্ঞানের সন্ধানী ঋষি—কবন্ষী, ভার্গব, আশ্বলায়ন, সৌর্য্যায়ণী, গর্গ এবং সত্যকাম—মহর্ষি পিপ্পলাদের আশ্রমে যান। প্রথম প্রশ্নটি করেন কবন্ষী কাত্যায়ন। তিনি জিজ্ঞাসা করেন : “এই সমস্ত জীবজন্তু বা প্রজা কোথা থেকে উৎপন্ন হয়?”
প্রাণ ও রয়ির তত্ত্ব
ঋষি পিপ্পলাদ উত্তরে বলেন যে, পরমেশ্বর বা সৃষ্টিকর্তা মিথুন (দ্বৈতভাব) সৃষ্টির উদ্দেশ্যে দুটি উপাদান সৃষ্টি করেছেন—প্রাণ এবং রয়ি। 
প্রাণ: এটি হলো সৃষ্টি ও প্রাণের মূল চালিকাশক্তি। এটি হলো আদিত্য বা সূর্য, যা প্রাণশক্তি, আলো এবং পুরুষ-তত্ত্বের প্রতীক।
রয়ি: এটি হলো অন্ন বা জড় জগৎ, চন্দ্র-তত্ত্ব এবং প্রকৃতি-তত্ত্বের প্রতীক।
এই প্রাণ এবং রয়ি মিলেই সম্পূর্ণ জগৎ সৃষ্টি হয়েছে। সমস্ত স্থাবর এবং জঙ্গম বস্তু হলো রয়ি (অন্ন) এবং এদের প্রাণদানকারী শক্তি হলো প্রাণ। 
সূর্যের প্রতীকী অর্থ (উত্তরায়ণ ও দক্ষিণায়ণ)
ঋষি পিপ্পলাদ সূর্যকে প্রাণশক্তির আধার হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
উত্তরায়ণ (উত্তর পথ): যাঁরা জীবনে সংযম, যজ্ঞ এবং জ্ঞানের সাধনা করেন, তাঁরা উত্তরায়ণ সূর্যের মাধ্যমে আদিত্যলোকে (চন্দ্রলোক) গমন করেন এবং মোক্ষ লাভ করেন।
দক্ষিণায়ণ (দক্ষিণ পথ): যাঁরা কাম্যকর্ম ও ফলাকাঙ্ক্ষায় আবদ্ধ, তাঁরা দক্ষিণায়নের পথে চন্দ্রলোকে গমন করে পুনরায় কর্মফল ভোগের জন্য পৃথিবীতে ফিরে আসেন।
সূর্য ও চন্দ্রের কালচক্র
এক বছরের ১২টি মাসকে সূর্যের ১২টি অবস্থানের সাথে তুলনা করা হয়েছে। সূর্যকে কালের প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, যিনি দিন ও রাত্রি এবং মাস-ঋতু সৃষ্টি করে জীবকুলের সৃষ্টি ও স্থিতি রক্ষা করেন।
প্রজননের তাৎপর্য
উপনিষদে বলা হয়েছে, অন্ন বা রয়ি থেকে রেত বা বীর্য তৈরি হয়, যা থেকে সমগ্র প্রাণীর জন্ম হয়। এভাবে চন্দ্র (অন্ন/রয়ি) এবং সূর্য (প্রাণ) একত্রিত হয়ে সমস্ত সৃষ্টির আধার হয়ে ওঠে ।

প্রশ্নোপনিষদের প্রথম প্রশ্নটি হলো—”কয়টি প্রজা (সৃষ্টি) থেকে এই জগৎ উৎপন্ন হয়েছে এবং কে এই প্রজা-সৃষ্টিকারী?” এর উত্তরে বলা হয়েছে যে, ছয়টি প্রজা থেকে এই জগৎ উৎপন্ন হয়েছে এবং এই প্রজাদের সৃষ্টিকারী হলেন “প্রজাপতি”। এই প্রশ্নের উত্তরটি প্রশ্নোপনিষদের প্রথম অধ্যায়ে বিশদভাবে আলোচিত হয়েছে। 

প্রশ্নোপনিষদ্ – প্রথমঃ প্রশ্ন

ওং নমঃ পরমাত্মনে । হরিঃ ওম্ ॥

সুকেশা চ ভারদ্বাজঃ শৈব্যশ্চ সত্যকামঃ সৌর্য়ায়ণী চ গার্গ্যঃ কৌসল্যশ্চাশ্বলাযনো ভার্গবো বৈদর্ভিঃ কবন্ধী কাত্যায়নস্তে হৈতে ব্রহ্মপরা ব্রহ্মনিষ্ঠাঃ পরং ব্রহ্মান্বেষমাণাঃ এষ হ বৈ তত্সর্বং-বঁক্ষ্যতীতি তে হ সমিত্পাণয়ো ভগবংতং পিপ্পলাদমুপসন্নাঃ ॥১॥

ভরদ্বাজপুত্র সুকেশা, শিবিপুত্র সত্যকাম, গর্গগোত্রীয় সৌর্যায়ণী অশ্বলপুত্র কৌসল্য, বিদর্ভদেশীয় ভৃগুপুত্র ভার্গব, কত্যতনয় কবন্ধী—এঁরা সকলেই ছিলেন ব্রহ্মে সমর্পিত প্রাণ। ব্রহ্ম ছাড়া অন্য কিছু তাঁরা জানতেন না। ব্রহ্মকে তাঁরা সম্যক্‌ ভাবে জানতে চেয়েছিলেন। তাঁরা সকলে যজ্ঞের কাঠ হাতে নিয়ে গুরু পিপ্পলাদের নিকট উপস্থিত হলেন। তাঁরা জানতেন গুরু পিপ্পলাদ তাঁদের ব্রহ্ম বিষয়ে জ্ঞান দিতে সক্ষম।

তান্‌ হ স ঋষিরুবাচ ভূয় এব তপসা ব্রহ্মচর্য়েণ শ্রদ্ধয়া সং​বঁত্সরং সং​বঁত্স্যথ যথাকামং প্রশ্নান্‌ পৃচ্ছত যদি বিজ্ঞাস্যামঃ সর্বং হ বো বক্ষাম ইতি ॥২॥


ঋষি তাঁদের বললেন: ‘আমার সঙ্গে একবছর থাক। শাস্ত্র ও গুরুবাক্যে শ্রদ্ধাবান হয়ে কৃচ্ছ্রসাধন ও সংযম অভ্যাস কর। তারপরে তোমাদের যা প্রশ্ন আছে করো। আমি যথাসাধ্য উত্তর দেবার চেষ্টা করব’।

অথ কবংধী কাত্যায়ন উপেত্য পপ্রচ্ছ ভগবন্‌ কুতো হ বা ইমাঃ প্রজাঃ প্রজায়ংত ইতি ॥৩॥

একবছর পর কত্যপুত্র কবন্ধী পিপ্পলাদের কাছে এসে জিজ্ঞাসা করলেন: ‘হে ভগবান, এইসব প্রাণীরা কোথা থেকে আসে?’ 

তস্মৈ স হোবাচ-
প্রজাকামো বৈ প্রজাপতিঃ স তপোঽতপ্যত স তপস্তপ্ত্বা স মিথুনমুত্পাদয়তে।
রয়িং চ প্রাণংচেতি এতৌ মে বহুধা প্রজাঃ করিষ্যত ইতি ॥৪॥

পিপ্পলাদ তাঁকে বললেন—প্রজাপতির সন্তান সৃষ্টি করার ইচ্ছে হল। সেই উদ্দেশ্যে তিনি তপস্যা শুরু করলেন। তিনি বুঝতে পারলেন যদি অন্ন [চন্দ্র বা রয়ি] থাকেন এবং সেই অন্ন গ্রহণ করার একজন ভোক্তা [সূর্য] থাকেন, তবে তাঁরা সম্মিলিতভাবে বহু সন্তান সৃষ্টি করতে পারবেন।

আদিত্যো হ বৈ প্রাণো রয়িরেব চংদ্রমাঃ রয়ির্বা এতত্‌ সর্বং-য়ঁন্মূর্তং চামূর্তং চ তস্মান্মূর্তিরেব রয়িঃ ॥৫।।

আদিত্যই (সূর্যই) প্রাণ; চন্দ্রই রয়ি অর্থাৎ অন্ন। স্থূল বা সূক্ষ্ম উভয়ই খাদ্য। খাদ্য (কার্য) ও খাদ্যের ভোক্তার (কারণ) মধ্যে যা পার্থক্য, স্থূল ও সূক্ষ্মের মধ্যে সেই একই পার্থক্য।

অথাদিত্য উদয়ন্ যত্ প্রাচীং দিশং প্রবিশতি তেন প্রাচ্যান্‌ প্রাণান্‌ রশ্মিষু সন্নিধত্তে।
যদ্দক্ষিণাং-য়ঁত্‌ প্রতীচীং-য়ঁদুদীচীং-য়ঁদধো যদূর্ধ্বং-য়ঁদংতরা দিশো যত্সর্বং প্রকাশয়তি তেন সর্বান্‌ প্রাণান্‌ রশ্মিষু সন্নিধত্তে ॥৬॥

(ভোরবেলা) সূর্য উঠে পূর্বদিগন্তে প্রবেশ করে। তখন পূর্বদিকের সকল প্রকার প্রাণীকে সে আপন কিরণে আলিঙ্গন করে। একইভাবে দক্ষিণ, উত্তর, উপর, নীচ এবং অন্তর্বর্তী দিকসমূহ—সর্বত্র সূর্যকিরণ ছড়িয়ে পড়ে। এইভাবে সকল প্রাণীকে সূর্যই প্রকাশ করে, সঞ্জীবিত করে।

স এষ বৈশ্বানরো বিশ্বরুপঃ প্রাণোঽগ্নিরুদয়তে।
তদেতদ্ ঋচাঽভ্য়ুক্তম্‌ ॥৭॥
বিশ্বরূপং হরিণং জাতবেদসং পরায়ণং জ্য়োতিরেকং তপংতম্‌।

সহস্ররশ্মিঃ শতধা বর্তমানঃ প্রাণঃ প্রজানামুদযত্য়েষ সূর্য়ঃ ॥৮॥

সূর্য উদয় হচ্ছেন—সেই সূর্য যিনি সকল জীবের অন্তরাত্মা; সব রূপই তাঁর রূপ। সূর্য একই সঙ্গে প্রাণ এবং অগ্নি দুই-ই অর্থাৎ একই সঙ্গে তিনি সব কিছু গ্রহণ করেন এবং প্রকাশ করেন। একটি ঋক্‌-মন্ত্রে একথাই বলা হয়েছে।
সহস্র কিরণ নিয়ে সূর্য উদিত হচ্ছেন। নানারূপে তাঁর প্রকাশ। তিনিই প্রাণিকুলের প্রাণস্বরূপ। পণ্ডিতেরা বলেন, এই সূর্য সর্বত্র ও সকল রূপের মধ্যে রয়েছেন; তিনি সদা উজ্জ্বল, সর্বজ্ঞ, এবং সকলের আশ্রয়। তিনিই আলোর একমাত্র উৎস ও সকলকে তাপ দেন।

সং​বঁত্সরো বৈ প্রজাপতিঃ স্তস্য়াযনে দক্ষিণংচোত্তরং চ।
তদ্যে হ বৈ তদিষ্টাপূর্তে কৃতমিত্য়ুপাসতে তে চাংদ্রমসমেব লোকমভিজয়ংতে ত এব পুনরাবর্তংতে।
তস্মাদেত ঋষয়ঃ প্রজাকামা দক্ষিণং প্রতিপদ্যংতে। এষ হ বৈ রয়ির্য়ঃ পিতৃয়াণঃ ॥৯॥

প্রজাপতি স্বয়ং সংবৎসর; তিনিই সৃষ্টিকর্তা। দুই পথে তাঁর আসা-যাওয়া—দক্ষিণ এবং উত্তর। এমন অনেক মানুষ আছেন যাঁরা বৈদিক ক্রিয়াকর্মের অনুষ্ঠান এবং লোকহিতকর কর্মে সবসময় ব্যস্ত। তাঁরা এ ধরনের কর্ম করতে গর্ব বোধ করেন। মৃত্যুর পর এই শ্রেণীর মানুষ চন্দ্রলোকে যান। কিন্তু তা কিছুদিনের জন্য। আবার তাঁদের এই মর্তজগতে ফিরে আসতে হয়। সেইজন্যই সন্তান কামনায় যাঁরা যাগযজ্ঞ করেন তাঁরা দক্ষিণপথে যান। এই পথ পিতৃলোকের পথ, এই পথই রয়ি।

অথোত্তরেণ তপসা ব্রহ্মচর্য়েণ শ্রদ্ধয়া বিদ্যয়াত্মানমন্বিষ্যাদিত্যমভিজয়ংতে।
এতদ্বৈ প্রাণানামায়তনমেতদমৃতমভয়মেতত্‌ পরাযণমেতস্মান্ন পুনরাবর্তংত ইত্য়েষ নিরোধঃ। তদেষ শ্লোকঃ ॥১০॥

কিন্তু এমন অনেকে আছেন যাঁরা কৃচ্ছ্রসাধন ও আত্মসংযম অভ্যাস করেন এবং শাস্ত্র অধ্যয়ন করেন। শাস্ত্রে ও গুরুবাক্যে তাঁদের অগাধ বিশ্বাস। এইসকল গুণের অধিকারী হয়ে তাঁরা আত্মার অনুসন্ধান করেন। এই আত্মাই হলেন সূর্য। মৃত্যুর পরে এইসব মানুষ উত্তরমার্গ অনুসরণ করেন এবং কালে আদিত্যপদ লাভ করেন। আদিত্য সকল প্রাণীর আশ্রয়। আদিত্যপদ প্রাপ্ত হলে মানুষ অমর হয়, অভয়পদ লাভ করে। এই হল মানুষের সর্বোত্তম অবস্থা। একবার এই অবস্থা লাভ হলে কেউ আর এই মর্তজগতে ফিরে আসে না। এখানেই যাত্রা শেষ। এই বিষয়ে একটি শ্লোক আছে।

পংচপাদং পিতরং দ্বাদশাকৃতিং দিব আহুঃ পরে অর্ধে পুরীষিণম্‌।
অথেমে অন্য় উ পরে বিচক্ষণং সপ্তচক্রে ষডর আহুরর্পিতমিতি ॥১১॥

পণ্ডিতেরা বলেন, আদিত্যের পাঁচটি ঋতু এবং বারটি মাস আছে। তিনি সকলের পিতা, স্বর্গে থাকেন এবং তিনিই বৃষ্টির কারণ। আরেক দল পণ্ডিতের মতে, সেই আদিত্য সর্বজ্ঞ এবং তিনি একটি সপ্তচক্রবিশিষ্ট রথ চালনা করেন। সেই চক্রের প্রতিটি আবার ছয়টি শলাকার সঙ্গে সংযুক্ত। এই আদিত্যেই সমগ্র জগৎ প্রতিষ্ঠিত।

মাসো বৈ প্রজাপতিস্তস্য কৃষ্ণপকশ এব রয়িঃ শুক্লঃ প্রণস্তস্মাদেত ঋষয়ঃ শুক্ল ইষ্টং কুর্বংতীতর ইতরস্মিন্‌ ॥১২॥

বৎসরের মতো মাসও প্রজাপতির প্রতীক। কৃষ্ণপক্ষ তাঁর অন্ন (চন্দ্র), শুক্লপক্ষ তাঁর প্রাণ (আদিত্য যিনি সেই অন্ন গ্রহণ করেন)। এই কারণেই ঋষিরা, যাঁরা প্রাণ অনুসন্ধান করছেন তাঁরা শুক্লপক্ষে বৈদিক ক্রিয়াকর্মের অনুষ্ঠান করে থাকেন। অন্যরা সেইসব অনুষ্ঠান কৃষ্ণপক্ষেই করেন।

অহোরাত্রো বৈ প্রজাপতিস্তস্যাহরেব প্রাণো রাত্রিরেব রয়িঃ।
প্রাণং-বাঁ এতে প্রস্কংদংতি যে দিবা রত্য়া সং​য়ুঁজ্য়ংতে ব্রহ্মচর্যমেব তদ্যদ্রাত্রৌ রত্য়া সং​য়ুঁজ্য়ংতে ॥১৩॥

দিন এবং রাত্রি প্রজাপতির দুটি অংশ। দিন তাঁর প্রাণ, রাত্রি খাদ্য। যাঁরা দিনের বেলায় (কঠোর পরিশ্রমের সময়) ইন্দ্রিয়সুখকে প্রশ্রয় দেন, তাঁরা নিজের জীবনকে ধ্বংস করেন। কিন্তু যাঁরা রাত্রিবেলায় তা সম্পন্ন করেন তাঁরা আত্মসংযমের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।

অন্নং-বৈঁ প্রজাপতিস্ততো হ বৈ তদ্রেতস্তস্মাদিমাঃ প্রজাঃ প্রজায়ংত ইতি ॥১৪॥

অন্নই প্রজাপতি। এই অন্ন থেকে আসে প্রাণের বীজ। এই বীজ থেকে সমস্ত প্রাণীর জন্ম। কবন্ধী পিপ্পলাদকে প্রশ্ন করেছিলেন—এই হল পিপ্পলাদের উত্তর।

তদ্যে হ বৈ তত্প্রজাপতিব্রতং চরন্তি তে মিথুনমুত্পাদয়ংতে।
তেষামেবৈষ ব্রহ্মলোকো যেষাং তপো ব্রহ্মচর্য়ং-য়েঁষু সত্যং প্রতিষ্ঠিতম্‌ ॥১৫॥
তেষামসৌ বিরজো ব্রহ্মলোকো ন যেষু জিহ্মমনৃতং ন মায়া চেতি ॥১৬॥

এমন অনেক গৃহস্থ আছেন যাঁদের বিবাহিত জীবন প্রজাপতির জীবনাদর্শে গড়া। তাঁরা প্রজাপতির মতোই নির্দিষ্ট নীতি অনুযায়ী সন্তানের জন্ম দেন। তাঁদের মধ্যে কিছু মানুষ আবার কঠোর ও সংযত জীবন যাপন করে থাকেন। তাঁরা সত্যেও দৃঢ় প্রতিষ্ঠিত। মৃত্যুর পর এরকম ব্যক্তি চন্দ্রলোক অর্থাৎ পিতৃলোকে যান। তাঁদের পক্ষে এটিই ব্রহ্মলোক।যাঁদের মধ্যে মিথ্যাচার, কুটিলতা বা কপটতার লেশমাত্র নেই তাঁরাই শুধু ব্রহ্মলোকে স্থান পাওয়ার যোগ্য।।

Tags: Prasana UpanishadSanatan DharmaVedic Mantra
Previous Post

এক লক্ষ টাকার বিনিময়ে শয্যা সঙ্গিনী হওয়ার প্রস্তাব : বলিউডের কাস্টিং কাউচ প্রকাশ্যে আনলেন অভিনেত্রী মানবি গাগরু 

No Result
View All Result

Recent Posts

  • মিথ্যাচারী, কুটিল,কপটরা কর্মফল ভোগের জন্য ফের পৃথিবীতে ফিরে আসে : প্রশ্নোপনিষদ্
  • এক লক্ষ টাকার বিনিময়ে শয্যা সঙ্গিনী হওয়ার প্রস্তাব : বলিউডের কাস্টিং কাউচ প্রকাশ্যে আনলেন অভিনেত্রী মানবি গাগরু 
  • কলকাতায় রেল বস্তিতে গিয়ে সমকামী কিশোরের খপ্পড়ে পড়লেন অস্ট্রেলীয় পর্যটক 
  • ৬-০ গোলে কাতারকে বিধ্বস্ত করল কানাডা ; জোনাথন ডেভিডের হ্যাটট্রিক 
  • ঝাড়খণ্ড রাজ্যসভায় পরাজয়ের পর “ইন্ডি” জোটে ফাটল : শরিক দলগুলির উপর বেজায় চটেছে কংগ্রেস 
  • প্রচ্ছদ
  • রাজ্যের খবর
  • দেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলার খবর
  • বিনোদন
  • রকমারি খবর
  • ব্লগ

© 2023 Eidin all rights reserved.

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In
No Result
View All Result
  • প্রচ্ছদ
  • রাজ্যের খবর
    • কলকাতা
    • জেলার খবর
  • দেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলার খবর
  • বিনোদন
  • রকমারি খবর
  • ব্লগ

© 2023 Eidin all rights reserved.