এইদিন ওয়েবডেস্ক,বাংলাদেশ,১৭ জুলাই : বাংলাদেশের পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে তাবিজ দেওয়ার অছিলায় নিজের বাড়িতে ডেকে এনে এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে জামাত ইসলামি নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার সকালে উপজেলার মাধবখালি ইউনিয়নের উত্তর চৈতা গ্রাম থেকে তাকে পাকড়াও করা হয়। ধৃত জামাত নেতার নাম মহম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান মাহাবুবব (৪৫)। তিনি মাধবখালী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড জামাতের সভাপতি ও উত্তর চৈতা গ্রামের মৃত জয়নাল মৌলভীর ছেলে। বাড়ির পাশে তার একটি ফার্মেসির দোকান রয়েছে ওই গুনধর জামাত ইসলামি নেতার । সে পেশায় একজন পল্লী চিকিৎসক। সেই ফার্মেসির ভিতরেই সে এই কুকাজ করে ।
বিষয়টির নিশ্চিত করেছেন মাধবখালি ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মহম্মদ মহসিন হাওলাদার। নির্যাতিতা নারীর অভিযোগ, জামায়াত নেতা মোস্তাফিজুর রহমান তার (নারীর) ভাইয়ের ছেলেকে তাবিজ দেওয়ার কথা বলে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পরে ঘরে এনে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষন করে ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নারীর স্বামী ও নয় বছরের একটি পুত্রসন্তান রয়েছে। এক বছর আগে স্বামীর সাথে সম্পর্কের অবনতি ঘটায় জামায়াত নেতা ও পল্লী চিকিৎসক মোস্তাফিজুর রহমানের সাথে পরিচয়। পারিবারিক বিভিন্ন সমস্যা জনিত কারণে তিনি তার কাছে প্রায়ই তাবিজ নিতে আসতেন। বৃহস্পতিবার সকালে জামায়াত নেতা তার স্ত্রী ও সন্তানদের শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে পাঠিয়ে দেন। এরপর সন্ধ্যার দিকে ওই নারীকে নিজের বাড়িতে নিয়ে আসেন। প্রায় ঘন্টা দুয়েক তারা ঘরের ভিতরে অবস্থান করেন। এলাকাবাসী ঘটনাটি টের পেয়ে ঘরের ভিতরে তাদেরকে একটি রুমে আপত্তিকার অবস্থায় দেখতে পান। পরে বিষয়টি থানা পুলিশকে অবহিত করা হয়।
এ ব্যাপারে উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা সিরাজুল ইসলাম জানান, বিষয়টি আমাকে এখনো কেউ জানায়নি। তবে অভিযোগ পেলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মির্জাগঞ্জ থানার ওসি মহম্মদ তৌহিদুজ্জামান জানান, এ বিষয়ে নির্যাতিতা নারী থানায় একটি ধর্ষণ চেষ্টার মামলা দায়ের করেছেন। আসামি মোস্তাফিজুর রহমান মাহাবুবকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।।
