এইদিন ওয়েবডেস্ক,আউশগ্রাম(পূর্ব বর্ধমান),৩০ জুন : দুর্নীতির বিরুদ্ধে “জিরো টলারেন্স” নীতি নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী । আর তিনি এই ঘোষণার পর থেকেই দুঃস্থদের বিতরণের জন্য ত্রাণসামগ্রী আত্মসাৎ বা অনান্য দুর্নীতির অভিযোগে রাজ্য জুড়ে গ্রেপ্তার হচ্ছে পূর্বতন শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন মন্ত্রী,বিধায়ক থেকে শুরু করে তাবড় নেতারা ৷ এই ধারাবাহিকতায় পূর্ব বর্ধমান জেলার আউশগ্রামের একটা ঘটনায় তোলপাড় ফেলে দিয়েছে জেলা জুড়ে । আজ মঙ্গলবার গুসকরা মানকর রাজ্যসড়কের দু’পাশে প্রচুর পরিমাণে পঞ্চায়েতের নথিপত্র পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা । সেগুলোর মূলত আউশগ্রামের কোটা পঞ্চায়েত অফিস এবং গলসির মানকর পঞ্চায়েত অফিসের কাগজপত্র । বিজেপির অভিযোগ,দুর্নীতি ধরা পরার ভয়েই পঞ্চায়েতের সমস্ত নথিপত্র গায়েব করে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে ।
জানা গেছে,আজ গুসকরা মানকর রাজ্যসড়কের উপর অভিরামপুরের কাছাকাছি এলাকায় সড়ক পথের দু’পাশে প্রচুর পরিমাণে নথিপত্র ছড়িয়ে থাকতে দেখে পথচলতি মানুষ । কেউ কেউ কাগজপত্র গুলি কৌতুহলবশত তুলে দেখেন। তখনই দেখা যায় সেগুলি পঞ্চায়েত অফিসের কাগজপত্র। সেই সময় ওই সড়কপথ ধরেই যাচ্ছিলেন আউশগ্রাম ৩ মণ্ডল সভাপতি পবন মণ্ডল । তিনি কয়েকটি নথি কুড়িয়ে পরীক্ষা করে দেখেন। পবনবাবু বলেন, ‘তুলে দেখি অধিকাংশ আউশগ্রামের কোটা পঞ্চায়েত অফিস এবং গলসির মানকর পঞ্চায়েত অফিসের কাগজপত্র। কয়েকটি সাধারণ মানুষের শংসাপত্র রয়েছে। কে বা কারা এবং কি উদ্দেশ্যে এগুলি ফেলে গেল তা কিছুই বোধগম্য হচ্ছে না।’ তার আশঙ্কা যে, বড়সড় দুর্নীতি গোপন করতেই পঞ্চায়েতের সমস্ত নথিপত্র লোপাট করে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে । বিষয়টি নিয়ে তিনি তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।।
