এইদিন ওয়েবডেস্ক,কোচবিহার,১৪ অক্টোবর : রাজ্যে পালাবদলের পাঁচ মাস পর কোচবিহার জেলা পরিষদের নতুন সভাধিপতি নির্বাচিত হলেন একদা তৃণমূলের টিকিটে জেতা হিমানি ইশর। বুধবার দুপুরে কোচবিহার জেলা পরিষদের সভাধিপতি নির্বাচনে ৩৪ জন সদস্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ২০ জন। তাঁদের মধ্যে ১৯ জন হিমানির পক্ষে ভোট দেন। কিন্তু হিমানি ইশর “মমতা” নাকি “ঋতব্রত”পন্থী, সেই বিষয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে । তবে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে ধন্যবাদ জানানোয় হিমানি ইশরের বিজেপিতে যোগদানের বিষয়েও জল্পনা শুরু হয়েছে । খোদ হিমানি ইশরও বিষয়টি নিয়ে ধোঁয়াশা রেখে দিয়ে মুচকি হেসে বলেছেন,’আমি কেবল জনপ্রতিনিধি।’
গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে কোচবিহার জেলা পরিষদের মোট ৩৪টি আসনের মধ্যে ৩২টিতে জিতেছিল তৃণমূল কংগ্রেস৷ মাত্র ২টি আসন পেয়েছিল বিজেপি।জেলা পরিষদের সভাধিপতি নির্বাচিত হন সুমিতা বর্মন। কিন্তু বিধানসভা ভোটে দলের শোচনীয় পরাজয়ের পর সুমিতা বর্মন এবং সহকারী সভাধিপতি আব্দুল জলিল আহমেদের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনেন দলেরই একাংশের সদস্যরা । তলবি সভায় সেই অনাস্থা প্রস্তাব পাশ হওয়ার পর থেকেই জেলা পরিষদের শীর্ষ পদ দুটি শূন্য ছিল। আজ সভাধিপতি নির্বাচিত হন জেলা পরিষদের শিশু ও নারী উন্নয়ন, জনকল্যাণ এবং ত্রাণ স্থায়ী সমিতির কর্মাধ্যক্ষ হিমানি ইশর। তবে সহকারী সভাধিপতি পদের নির্বাচন নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে। নির্ধারিত সময়ে এই পদের জন্য কোনো সদস্য উপস্থিত না থাকায় প্রক্রিয়াটি স্থগিত থাকে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের গুঞ্জন, বিজেপির দুই জেলা পরিষদ সদস্যের মধ্যে কাউকে এই পদে নিয়ে আসা হতে পারে।
জেলা পরিষদের সভাধিপতি নির্বাচিত হওয়ার পর হিমানি ইশরে বলেন,’রাজ্যে ডবল ইঞ্জিন সরকার এসেছে। মাননীয় শুভেন্দু অধিকারীকে ধন্যবাদ… যে ভাবে নির্দেশ দেবেন, সে ভাবে কাজ করব। বিগত দিনে সঠিক ভাবে যে কাজগুলো হয়নি, সেগুলো শেষ করার চেষ্টা করব।’ ফলে এই মন্তব্যের পরেই তার বিজেপিতে যোগদান নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে ।।

