এইদিন ওয়েবডেস্ক,বাংলাদেশ,০৪ আগস্ট : বাড়িতে রয়েছে ৪ স্ত্রী এবং তাদের এক ডজন ছেলেমেয়ে । তারপরও প্রতিবেশী মহিলার সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়েছিল জামাত ইসলামি দলের এক নেতা । গতকাল সোমবার (৩ আগস্ট) মধ্যরাতে মহিলার ঘরে গিয়ে অপকর্ম করতে যায় সে৷ এদিকে প্রতিবেশীরাও তক্কে তক্কে ছিল । গ্রামবাসীরা তাদের ঘরে হুড়মুড়িয়ে ঢুকে পড়লে দু’জনকে সম্পূর্ণ নগ্ন অবস্থায় দেখতে পায় । এরপর জামাত ইসলামি নেতা ও তার পরকীয়া প্রেমিকাকে বাড়ির দাওয়ার খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রেখে দেওয়া হয় । বাংলাদেশের পঞ্চগড় উপজেলার হাড়িভাসা ইউনিয়নের গইজপাড়া এলাকার ঘটনা । পরে জহিরুল ইসলাম (৪২) নামে ওই জামাত ইসলামি নেতাকে পুলিশ আটক করে থানায় নিয়ে যায় ।
এলাকাবাসীর দাবি, জহিরুল ইসলামের চারটি বিয়ে । তাদের সব মিলে অন্তত ১২ টি ছেলেমেয়ে রয়েছে । জহিরুল জামাত ইসলামির স্থানীয় নেতা হিসেবে পরিচিত। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাত প্রায় ১১টার দিকে গইজপাড়া এলাকায় জহিরুল ইসলামকে এক মহিলার ঘর থেকে আটক করে স্থানীয়রা। পরে তাকে দড়ি দিয়ে বারান্দার খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও উত্তেজিত জনতার কারণে তাৎক্ষণিকভাবে তাকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। আজ মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সকালে পুলিশ ঘটনাস্থলে থেকে জহিরুল ইসলাম ও ওই মহিলাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। পুলিশ বলছে, মঙ্গলবার বিকাল ৩টা পর্যন্ত এই ঘটনায় কোনো পক্ষই থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেনি। অভিযোগ না থাকায় আইনগত প্রক্রিয়া অনুযায়ী বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ওসি ।
এদিকে, জহিরুল ইসলামকে দলীয় নেতা হিসাবে অস্বীকার করেছে জেলা জামাত ইসলামি নেতারা । তাদের দাবি, জহিরুল দলের কোনো সদস্য নয় । তাদের ভাষ্য, জহিরুল ইসলাম কেবল দলটির সমর্থক ছিলেন। সাংগঠনিকভাবে তার কোনো পদ বা সদস্যপদ নেই। এই বিষয়ে পঞ্চগড় সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোখলেছ বলেন, নারী ও পুরুষ দুজনকেই উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। বর্তমানে তারা থানায় রয়েছেন। এই ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।।
