এইদিন ওয়েবডেস্ক,চন্ডীগড়,০৭ মে : সানটেক প্রকল্পের সূত্রে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) মোহালি ও চণ্ডীগড়ের ১২টি স্থানে অভিযান চালিয়েছিল। বিল্ডারদের সঙ্গে যোগসাজশে অবৈধভাবে অর্জিত অর্থ পাচার করা হচ্ছিল, এমন অভিযোগের ভিত্তিতে ইডি ওই প্রাঙ্গণে অভিযান চালায়। গ্রেফতারের ভয়ে এক ব্যবসায়ী নবম তলা থেকে নগদ টাকায় ভর্তি দুটি ব্যাগ নিচে ফেলে দেয় ।
নোটে ভর্তি একটি ব্যাগ মাটিতে পড়ে যাওয়ায় নোটগুলো বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে। অভিযুক্তের চালক ব্যাগগুলোর মধ্যে একটি নিয়ে পালিয়ে যায়। সানটেক সিটি প্রকল্পের প্রোমোটার অজয় সেহগাল, এবিএস টাউনশিপ, অল্টাস বিল্ডার্স এবং ধীর কনস্ট্রাকশনস-এ অভিযান চালানো হয়। তাদের বিরুদ্ধে উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে অবৈধভাবে অনুমতিপত্র সংগ্রহের অভিযোগ রয়েছে।
অভিযুক্তদের মধ্যে একজন, নিতিন গোহাল, পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মানের ওএসডি (অফিসার অন স্পেশাল ডিউটি) রাজবীর ঘুমানের ঘনিষ্ঠ সহযোগী বলে জানা গেছে। কর্মকর্তারা তার বাড়ির দিকে এগোতেই নবম তলা থেকে দুটি ব্যাগ নিচে ফেলে দেওয়া হয়। পড়ার সময় একটি ব্যাগ ছিঁড়ে যায়। এর একটি ভিডিও সামনে এসেছে। কাছাকাছি মাটিতে ৫০০ টাকার নোটের বান্ডিল ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে থাকতে দেখা যায় ।
গ্রেটার মোহালি এরিয়া ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (জিএমএডিএ)-কে বকেয়া পরিশোধ না করা বিল্ডারদের সাহায্য করার অভিযোগে নিতিন গোহাল অভিযুক্ত। তার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। তদন্তকারী সংস্থা সন্দেহ করছে যে, নিতিন পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রীর ‘যোগাযোগের মাধ্যম’ হিসেবে কাজ করছেন। ইডি নিতিনকে খুঁজছে।।
