এইদিন ওয়েবডেস্ক,কলকাতা,২৪ জুন : কলকাতার তারাতলায় নির্মীয়মাণ গোডাউনের ছাদ ভেঙে ধ্বংসস্তুপের মধ্যে কয়েক ডজন চাপা পড়ে থাকার আশঙ্কা করা হচ্ছে । ঘটনাস্থলে উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে এনডিআরএফ ও স্থানীয় মানুষ । এখনো পর্যন্ত ১৩ জনকে গুরুতর জখম অবস্থায় উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে । তাদের এসএসকেএম হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে। ধ্বংসস্তূপের ভিতর থেকে ভেসে আসছে আর্তনাদ । লোহার বিমে আটকে মাংসপিন্ড । বিম কাটতে হিমশিম খেতে হচ্ছে ।তবে আটকে থাকা শ্রমিকের প্রকৃত সংখ্যা এখনো অজানা । আটকে থাকক বা উদ্ধার হওয়া আহত শ্রমিকরা অনেকেই পরিযায়ী বলে জানা গেছে । দুর্ঘটনার পরপরই ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল এবং ইন্দ্রনীল খাঁ।
জানা গেছে,তারাতলায় বন্দর কর্তৃপক্ষের লিজে নেওয়া জমিতে একটি চা সংস্থা গত দেড় বছর ধরে এই গুদামের নির্মাণকাজ চালাচ্ছিল । আজ বুধবার সকালে বিকট শব্দে ছাদ ধসে পড়ে। লোহার কাঠামোর উপর কংক্রিটের ভারী আস্তরণের স্তুপ জমে যায় । ভিতরে আটকে পরে ৫০-৬০ জন শ্রমিক । এমনকি গুদামের ঠিকাদারও এই ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে । সকালেই লোহার কাঠামোটি নড়বড়ে অবস্থায় দেখতে পাওয়া যায় বলে দাবি প্রত্যক্ষদর্শীদের ।
এই ঘটনার পর ঘটনাস্থলে ছুটে যায় পুলিশবাহিনী ও বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর সদস্যরা। ক্রেন দিয়ে লোহার বিম সরিয়ে আটকে থাকা মানুষদের বের করার চেষ্টা শুরু হয়। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধারকাজ চলছে। রক্ষণাবেক্ষণ বা নিরাপত্তার অভাব ছিল কি না, তা নিয়েও শুরু হয়েছে বিতর্ক। গুদামের ভেতর ঠিক কতজন শ্রমিক কর্মরত ছিলেন, তার সঠিক তালিকা কর্তৃপক্ষের কাছে না থাকায় আতঙ্ক বাড়ছে নিখোঁজ শ্রমিকদের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে।।
