এইদিন ওয়েবডেস্ক,বাংলাদেশ,০৬ সেপ্টেম্বর : বাংলাদেশের পঞ্চগড় সদর উপজেলার একটা মাদ্রাসা থেকে এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা সামনে এসেছে । ওই আবাসিক মাদ্রাসার ষষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্রের সঙ্গে নবম শ্রেণীর ছাত্রীর দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল । বর্তমানে ওই কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা । ছাত্রীর দাদার দায়ের করা মামলায় শনিবার রাতে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত কিশোরকে গ্রেপ্তার করেছে। তাকে আদালতের মাধ্যমে কিশোর শোধনাগারে পাঠানো হয়েছে।
জানা গেছে,অভিযুক্ত কিশোর ষষ্ঠ শ্রেণিতে এবং ভুক্তভোগী ১৫ বছর বয়সী কিশোরী নবম শ্রেণিতে একই মাদ্রাসায় পড়াশোনা করছে।
মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, মাদ্রাসায় যাতায়াতের পথে প্রায় দুই বছর ধরে ওই ছাত্রীকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে উত্যক্ত করত অভিযুক্ত কিশোর। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন সময়ে ওই ছাত্রীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে ওই কিশোর। সর্বশেষ গত ৭ মে রাতে ভুক্তভোগীর বসতবাড়ির শোবার ঘরে ঢুকে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করার অভিযোগ করা হয়।এরপর কয়েক মাস ধরে ছাত্রীর শারীরিক গঠনে পরিবর্তন দেখা দিলে পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হয়। গত ৫ সেপ্টেম্বর তাকে পঞ্চগড়ের একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে আল্ট্রাসনোগ্রাম করানো হয়। পরীক্ষায় জানা যায়, নবম শ্রেণির ওই ছাত্রী ১৭ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বা। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। পরে ভুক্তভোগীর দাদা শনিবার রাতে পঞ্চগড় সদর থানায় মামলা দায়ের করেন।
পঞ্চগড় সদর থানার ওসি মোখলেছুর রহমান বলেন, ভুক্তভোগীর দাদার এজাহারের ভিত্তিতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে নিয়মিত মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। অভিযুক্ত কিশোরকে আটক করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।।
