এইদিন ওয়েবডেস্ক,মুর্শিদাবাদ,০৭ জুন : অনুপ্রবেশ নিয়ে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি নিয়েছে শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি সরকার । তারপর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ঘাঁটি গেড়ে থাকা একের পর এক বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরা ধরা পড়ছে । সবচেয়ে বেশি ধরা পড়ছে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে । এই ধারাবাহিকতায় শনিবার মুর্শিদাবাদ জেলার সাগরদিঘি থানার পুলিশের অভিযানে ধরা পড়ে গেল এক বাংলাদেশি দম্পতি ।
পুলিশ ধৃত বাংলাদেশিকে উজির আলি (৪৩) নামে চিহ্নিত করেছে । সে আদপে বাংলাদেশের চাপাই নবাবগঞ্জ জেলার বাসিন্দা । ধৃত উজির আলি পুলিশের জেরায় জানিয়েছেন, বছর ১৩ আগে স্ত্রী জাইনুর খাতুন(৩৬) ও বড় ছেলে সিহাদ শেখ(১৫)কে তিনি রঘুনাথগঞ্জ সীমান্ত এলাকা দিয়ে অবৈধভাবে এদেশে ঢুকে পড়ে । এরপর সাগরদিঘি থানার ডুমারপাহাড় এলাকায় বসবাস শুরু করে । স্থানীয় সহানুভূতিশীল মানুষদের সহায়তায় ভোটার কার্ড আধার কার্ড বানিয়ে নেয় । দক্ষিণ ভারতে রাজমিস্ত্রির কাজ করছিল । সেখান থেকে টাকা জমিয়ে ডুমারপাহাড় এলাকায় ১৫ শতক জায়গা কেনে । তারপর বাড়ি তৈরি করে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করে । এখানেই জন্ম হয় তাদের মেজো ছেলে ইনজামুল হক(১০) ও ছোট ছেলে সাহাদ শেখের (৪)। তিন পুত্রসন্তানসহ তাদের সুতি থানা এলাকার হোল্ডিং সেন্টারে পাঠানো হয়েছে ওই চারজনকে ।
প্রসঙ্গত, বিপুল সংখ্যক অনুপ্রবেশকারী ধরা পড়ছে দেখে বাংলাদেশ সরকার এখন তাদের নিতে অস্বীকার করছে । প্রায় দিনে সীমান্ত এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের লেলিয়ে দিয়ে ঝামেলা পাকাচ্ছে বাংলাদেশ সীমান্ত রক্ষী বাহিনী । এমনকি সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে আটকাতেও জাতিসংঘের দারস্থ হয়েছে বাংলাদেশ সরকার । জাতিসংঘ ভারতকে বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া বন্ধ করার জন্য বলেছে । কিন্তু ভারত সরকার স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থের সঙ্গে তারা কোনো আপোষ করবে না । কোনভাবেই অনুপ্রবেশকারীদের বরদাস্ত করবে না ভারত ।।
