এইদিন ওয়েবডেস্ক,কলকাতা,০২ অক্টোবর : ভোলবদলে রাজ্যের বিজেপি সরকারের প্রশংসায় পঞ্চমুখ বৃদ্ধ গায়ক কবির সুমন । কলকাতা পুরসভার ১০০ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা, ৭৮ বছর বয়সী এই প্রবীণ গায়ক একটি ভিডিয়ো বার্তায় পাড়ার একটি বড়সড় গাছ থেকে সম্ভাব্য অসুবিধার কথা ভেবে টালিগঞ্জের বিজেপি বিধায়িকা পাপিয়া অধিকারীর দ্বারস্থ হন । আর তাতেই মাত্র কয়েক ঘন্টার মধ্যেই মুসকিল আসান । প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ কবীর সুমনের কথায়,’আমি যেটা দেখতে পাচ্ছি, নতুন সরকার এসে কাজ করছেন। পাড়ার দিকে নজর দিচ্ছেন। রাস্তায় নোংরা জমে থাকছে না। ময়লা সরানো হচ্ছে সময়মতো। জল আমরা পাচ্ছি।’ সেই সাথে নিজের দলের কাউন্সিলরের সমালোচনাও শোনা গেল তার মুখে । তিনি বলেন,’এই পাড়ায় আগের যিনি কাউন্সিলর ছিলেন, তাঁকে আর পাওয়া যাচ্ছে না৷’
ভিডিওতে কবির সুমন জানান,তার বাড়ির পাশেই একটি বিশাল বড় গাছ আছে। দীর্ঘদিন ধরে তার ডালপালা কেউ কাটেনি। এদিকে ঝড়বৃষ্টিতে সেই গাছটি বিপজ্জনকভাবে একেবারে বিদ্যুতের তারের ওপর হেলে পড়েছিল। যে কোনও মুহূর্তে বড়সড় বিপদ হতে পারত। কিন্তু পাড়ার যিনি পুরনো জনপ্রতিনিধি, তাঁকে কিছুতেই খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না । স্থানীয় নতুন বিধায়কের সঙ্গেও তার পরিচয় নেই । একজন পরিচিত ব্যক্তির কাছ থেকে পাপিয়া অধিকারীর নম্বর পেয়ে তাকে হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ করেন ।
তিনি বলেন,’মেসেজ পাওয়া মাত্রই এক মুহূর্ত দেরি করেননি পাপিয়া অধিকারী। দ্রুত কর্পোরেশনের লোক পাঠিয়ে দেন । বড় মেশিন দিয়ে শুধু যে বিপদের ডালপালা কাটিয়ে দিলেন তা নয়, পুরো রাস্তাও পরিষ্কার করে দিলেন। এদিকে গাছের সমস্যা মিটতে না মিটতেই আরও এক বিপত্তি! হঠাৎ পাড়ার রাস্তার আলো নিভে যায় । বিষয়টি তাদের নজরে ছিল । এবারও সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন পাপিয়া অধিকারীর সহযোগী সায়ন্তন সান্যাল। তিনি নিজে দাঁড়িয়ে থেকে একদিনের মধ্যেই আলো সারিয়ে দেন।
পাড়ার এমন উন্নতি আর দ্রুত পরিষেবা পেয়ে বেজায় খুশি প্রবীণ গায়ক । কবির সুমন বলেন,’আমি প্রীত, আমার ধারনা, আমার যারা সহনাগরিক, তারা একই কথা বলবেন। বিধায়ক পাপিয়া আধিকারি এই পাড়াটার জন্য যা করলেন, আমার মনে থাকবে ।’ অন্যদিকে ফেসবুকে কবীর সুমনের ভিডিয়ো বার্তাটি শেয়ার করে পাপিয়া লিখেছেন,’এই জন্যই পাল্টেছে, বিজেপি এসেছে। আমরা আপনাদের পাশে, আমরা আপনাদের সেবায়, আপনাদের সেবায় ।’।

