এইদিন ওয়েবডেস্ক,নয়াদিল্লি,০২ সেপ্টেম্বর : মাদ্রাসা তৈরির জন্য শতাব্দী প্রাচীন হিন্দু মন্দির ভেঙে দিয়েছে পাকিস্তানের সন্ত্রাসী গোষ্ঠী তেহরিক -ই-লাব্বাইক । পূর্ব পাঞ্জাব প্রদেশে এক শতাব্দীরও বেশি পুরোনো একটি হিন্দু মন্দির ভেঙে ফেলার ঘটনার তদন্তের দাবিতে ঐক্যবদ্ধ হয়েছেন পাকিস্তানের মানবাধিকার কর্মীরা । যদিও ওই সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকে চটিয়ে পাকিস্তানের শেহবাজ শরিফ যে কোনো পদক্ষেপ নেবে না, এটা দিনের আলোর মত স্পষ্ট । তবে আজ এনিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ভারত ।
আজ এনিয়ে ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের তরফে একটি লিখিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে,পাকিস্তানে শতাব্দী- প্রাচীন একটি হিন্দু মন্দির ভেঙে ফেলার খবর নিয়ে গণমাধ্যমের প্রশ্নের জবাবে সরকারি মুখপাত্র শ্রী রণধীর জয়সওয়াল বলেছেন : “পাকিস্তানের নারোওয়াল জেলার সিরাজ গ্রামে একটি ঐতিহাসিক হিন্দু মন্দির ধ্বংসের উদ্বেগজনক খবরটি আমরা গভীর উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করেছি। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের একটি শতাব্দী-প্রাচীন উপাসনালয়ের ওপর চালানো এই নিন্দনীয় ভাঙচুরের ঘটনাকে আমরা দ্ব্যর্থহীন ভাষায় ধিক্কার জানাই। কর্তৃপক্ষের আপাত উদাসীনতা এবং এই শতাব্দী-প্রাচীন মন্দিরটি রক্ষায় ব্যর্থতা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এ ধরনের ঘটনা পাকিস্তানে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অব্যাহত অরক্ষিত অবস্থা এবং তাদের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও উপাসনালয়গুলোর ওপর চরম লঙ্ঘনের বিষয়টিকেই স্পষ্টভাবে মনে করিয়ে দেয়।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে,আমরা পাকিস্তান সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি যেন তারা এই ঘটনার দ্রুত ও স্বচ্ছ তদন্ত করে এবং দায়ীদের পূর্ণ জবাবদিহিতার আওতায় আনে। এছাড়া, ক্ষতিগ্রস্ত মন্দিরটি পুনরুদ্ধারের জন্য পাকিস্তান সরকারকে অবিলম্বে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে এবং নিজেদের সংখ্যালঘু নাগরিকদের নিরাপত্তা ও কল্যাণ তথা তাদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষার প্রাথমিক দায়িত্ব পালন করতে হবে।”
