ইউরোপের দেশগুলির মধ্যে ব্রিটেনে মুসলিম অনুপ্রবেশের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি । আর তার সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে বিভিন্ন অপরাধমূলক ঘটনা । ব্রিটেনের জেলগুলিতে মূলত অনুপ্রবেশকারী মুসলিম কয়েদির সংখ্যা সবচেয়ে বেশি । আর সংখ্যায় বেশি হওয়ার সুযোগে জেলের মধ্যে অমুসলিম কয়েদিদের জোর করে ধর্মান্তরিত করা হচ্ছে বলে চাঞ্চল্যকর দাবি করেছে আন্তর্জাতিক মিডিয়া আউটলেট ভিসেগার্ড । আজ বুধবার ওই সংবাদমাধ্যমের এক্স হ্যান্ডেলে লেখা হয়েছে,ব্রিটেনের প্রিজন অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন সতর্ক করেছে যে, মুসলিম কারাবন্দী চক্রগুলো দুর্বল বন্দীদের লক্ষ্যবস্তু বানাচ্ছে এবং ইসলাম ধর্ম গ্রহণে তাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে : পিওএ-এর সাধারণ সম্পাদক স্টিভ গিলান বলেছেন, কারা কর্মকর্তারা একাধিক ঘটনা থেকে “স্পষ্ট প্রমাণ” দেখতে পাচ্ছেন। তিনি সতর্ক করে বলেন: “তরুণদের লক্ষ্যবস্তু বানানো হচ্ছে এবং তারপর ইসলাম ধর্ম গ্রহণে বাধ্য করা হচ্ছে।”
এক বন্দীর বোন জানিয়েছেন, ধর্মান্তরিত হতে অস্বীকার করায় তার ভাইকে শৌচাগারে নিয়ে গিয়ে মারধর করা হয়েছিল, তার চোখে কালশিটে দাগ পড়েছিল এবং তাকে ছুরি দিয়ে কোপানোর হুমকি দেওয়া হয়েছিল।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে,পরবর্তীতে কারাগারে ইসলামপন্থী চরমপন্থা বিষয়ে সরকারের নির্দেশে পরিচালিত একটি পর্যালোচনার মাধ্যমে উদ্বেগগুলো আরও জোরালো হয়, যেখানে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো চিহ্নিত করা হয়েছিল:
★ সহিংসতা, মাদক ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড জড়িত মুসলিম গ্যাং সংস্কৃতি ।
★ ইসলামে ধর্মান্তরিত করার জন্য আগ্রাসী উৎসাহ প্রদান ।
★ চরমপন্থী বন্দীদের স্বঘোষিত “আমির” হিসেবে কাজ করা এবং অন্যান্য মুসলিম বন্দীদের উপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা ।
★ কারাগারের শাখা বা এমনকি পুরো কারাগার জুড়ে পৃথকীকরণ প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা ।
★ কারাগারে ভয়ভীতি প্রদর্শন ।
★ কারাগারের অভ্যন্তরে চরমপন্থী প্রচারপত্রের প্রচার।
★ বর্ণবাদী হিসেবে চিহ্নিত হওয়ার ভয়ে কারা কর্মীদের শোষণ ।
শিকাগোতে ইসলাম ‘স্কলার’ মহম্মদ নুসাইরাত তাদের সম্প্রদায়ের পরিকল্পনাটি তুলে ধরেছেন । তিনি বলেছেন,“আমরা এখানে সহাবস্থান করতে আসিনি। আমরা অন্য সবার চেয়ে শ্রেষ্ঠ এবং আমাদের কেউ ছাড়িয়ে যেতে পারবে না। আমাদের উপরে কেউ নেই। অন্য ধর্মাবলম্বীরা যদি আমাদের সাথে থাকতে চায়, তবে তাদের আল্লাহর ইবাদত করতেই হবে।” তার এই বক্তব্যের ভিডিওটি মিশর ভিত্তিক মেমরি টিভিতে সম্প্রচার করা হয়েছে ।।
