এইদিন আন্তর্জাতিক ডেস্ক,১৩ আগস্ট : ব্রিটেনের লেবার দলের কাউন্সিলর আয়েশা আরিফের পদত্যাগের চাপ সৃষ্টি হয়েছে, কারণ সম্প্রতি জানা গেছে যে তার ২০ বছর বয়সী ছেলে মহম্মদ জাকির আরিফ তাকে একটি সন্ত্রাসী হামলা চালানোর ইচ্ছার কথা জানিয়েছিল এবং পরে সন্ত্রাসবাদের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হয়।
পুলিশ তার ফোন থেকে উগ্রপন্থী ভিডিও উদ্ধার করেছে, যেগুলোতে সন্ত্রাসী হামলায় উস্কানি দেওয়া হয়েছিল এবং তা চালানোর জন্য তথ্য সরবরাহ করা হয়েছিল। কারাগারে থাকা অবস্থাতেই আরিফের কাছে দুটি লুকানো মোবাইল ফোন পাওয়া যায়, যা দিয়ে সে কারাগারের বাইরের লোকজনের সাথে যোগাযোগের জন্য ব্যবহার করত।
উল্লেখ্য,ব্রিটেনের লেবার পার্টির কাউন্সিলর আয়েশা আরিফের ছেলে মুহম্মদ জাকির আরিফকে সন্ত্রাসবাদের অভিযোগে তিন বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আদালতে প্রকাশ পায় যে, সে তার মা ও বোনকে হোয়াটসঅ্যাপে জানিয়েছিল যে সে বিদেশে গিয়ে একটি সন্ত্রাসী হামলা চালাতে চায়। তার ফোনে হামলা চালানোর পদ্ধতি দেখানো উগ্রপন্থী ভিডিওও পাওয়া গেছে। এখন আয়েশা আরিফের ওপর পদত্যাগের চাপ আরও বেড়েছে। এখন প্রশ্ন উঠছে : যাদের ঘর থেকে এমন উগ্রপন্থী ও কট্টরপন্থী মানসিকতার উদ্ভব হচ্ছে, তারাই ব্রিটেনের সরকারি পদে বসে আছে কি করে ?
