এইদিন ওয়েবডেস্ক,ভাতার(পূর্ব বর্ধমান),০৯ জুলাই : এক মূক ও বধির গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে এক বিবাহিত যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পূর্ব বর্ধমান জেলার মঙ্গলকোটের কৈচর ফাঁড়ির পুলিশ । ধৃতের নাম সুরজ মাজি (৩২)। তার বাড়ি কেতুগ্রাম থানার নৈহাটি গ্রামে। গত ৩০ জুন এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার পর চম্পট দেয় অভিযুক্ত । অবশেষে বুধবার রাতে কাটোয়া শহর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ বৃহস্পতিবার ধৃতকে কাটোয়া মহকুমা আদালতে তোলা হয়। ধৃতকে নিজেদের হেফাজতে চেয়ে আদালতের কাছে আবেদন জানিয়েছে পুলিশ।
জানা গেছে,নির্যাতিতার বাপেরবাড়ি কেতুগ্রামে । তার স্বামী পেশায় টোটোচালক।শ্বশুরবাড়ি মঙ্গলকোটের কৈচরের অদূরে একটি গ্রামে । মঙ্গলকোটের জাগেশ্বরডিহি গ্রামে আত্মীয় বাড়ি বধূর । জাগেশ্বর ডিহি গ্রামে ধর্মরাজ পুজোয় নিমন্ত্রণ রক্ষা করতে গত ২৯ জুন বাবার সাথে আত্মীয় বাড়ি এসেছিলেন তিনি । সুরজও নিমন্ত্রণ রক্ষা করতে এসেছিল । ঘটনাটি ঘটেছে পরের দিন ৩০ জুন ।
অভিযোগ,বধূর বাবা যখন তাকে জাগেশ্বরডিহি থেকে শ্বশুরবাড়িতে পৌঁছে দিতে যান তখন তাঁদের সঙ্গে গিয়েছিলেন সুরজও। মেয়েকে রেখে বাবা চলেও আসেন জাগেশ্বরডিহি। কিন্তু সুরজ থেকে যায়। বধূর স্বামী তখন বাড়িতে ছিলেন না । তবে শাশুড়ী ছিলেন । তিনি যখন গৃহস্থালির কাজে ব্যস্ত ছিলেন সেই সময় সুরজ জোরজবরদস্তি মূক ও বধির ওই গৃহবধূকে ধর্ষণ করে৷ কিন্তু বিষয়টি বধূর শাশুড়ি দেখে ফেলেন । এদিকে বেগতিক বুঝে চম্পট দেয় সুরজ ।
এদিকে ঘটনার কথা ফোনে শুনে জাগেশ্বরডিহি থেকে দ্রুত মেয়ের শ্বশুরবাড়িতে চলে আসেন বধূর বাবা ৷ তিনি মেয়েকে সাথে নিয়ে কৈচর পুলিশ ফাঁড়িতে অভিযোগ দায়ের করেন। তার পর থেকেই পুলিশ অভিযুক্তের সন্ধান চালাচ্ছিল। অবশেষে বুধবার রাতে কাটোয়া থেকে তাকে পাকড়াও করে পুলিশ ।।
