এইদিন ওয়েবডেস্ক,শ্রীনগর,৩০ জুন : ৩৬ বছর পর সরলা ভাট মামলায় অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে । জম্মু ও কাশ্মীরের রাজ্য তদন্ত সংস্থা (এসআইএ) ১৯৯০ সালে কাশ্মীরি পণ্ডিত নার্স সরলা ভাটকে অপহরণ, ধর্ষণ এবং নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় শ্রীনগরের একটি বিশেষ আদালতে ৭৩৭ পৃষ্ঠার একটি বিস্তারিত অভিযোগপত্র দাখিল করেছে।অভিযোগপত্র অনুযায়ী, এই মামলার প্রধান অভিযুক্তরা হল : মহম্মদ ইয়াসিন মালিক (তৎকালীন জেকেএলএফ প্রধান কমান্ডার), খুরশিদ আহমেদ চালকু (পলাতক; তদন্তকারী সংস্থার মতে, গুলি চালানোর ঘটনায় অভিযুক্ত),আব্দুল হামিদ শেখ (মৃত),মহম্মদ ইউসুফ সোফি ওরফে ইদ্রিস (মৃত) এবং গোলাম মোহাম্মদ তাপলু (মৃত) ।
সরলা ভাটের উপর নৃশংসতার সমস্ত সীমা অতিক্রম করা নরপশু ইয়াসিন মালিক বর্তমানে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে আছে । খুরশিদ আহমেদ চালকু পলাতক এবং তার বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে।আব্দুল হামিদ শেখ, মোহাম্মদ ইউসুফ সোফি ওরফে ইদ্রিস এবং গোলাম মোহাম্মদ তাপলু মারা গেছে ।
উল্লেখ্য,সরলা ভাট কাশ্মীরের একজন নার্স ছিলেন। ১৯৯০ সালে তাকে তার হাসপাতালের কাছ থেকে অপহরণ করা হয়, নির্যাতন করা হয় এবং হত্যা করা হয়। তখন তার বয়স ছিল মাত্র কুড়ির কোঠায়। অভিযোগ ওঠে যে তৎকালীন কংগ্রেস সরকার নরপশু মহম্মদ ইয়াসিন মালিকদের বাঁচানোর জন্য তদন্ত প্রক্রিয়া বন্ধ করেছিল । ওই নৃশংস ঘটনার ন্যায়বিচার দিতে ৩৬ বছর লেগে গেল। এমন অনেক কাশ্মীরি হিন্দুর মামলা আজও ধুলোয় পড়ে আছে, পরিবারগুলো আজও ন্যায়বিচারের অপেক্ষায় রয়েছে।।
